


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বাংলাদেশে অস্ত্র পাচারের চেষ্টার অভিযোগে ধৃত চারজন ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে ওই কাজ করছিল। এর মধ্যে খাওয়াদাওয়া ও অন্যান্য খরচের জন্য অগ্রিম হিসাবে দেওয়া হয়েছিল ১০ হাজার টাকা। বাংলাদেশে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার পরই বাকি টাকা পাওয়ার কথা ছিল ওই চারজনের। জেরায় পুলিশকে এমনই তথ্য দিয়েছে ধৃতরা। কারা এই বরাত দিল, এখন তাদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। এদিকে, এই চারজনের নামে কোনো থানাতেই পুরানো অপরাধের রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। সেক্ষেত্রে এদের যোগসাজশ কাদের সঙ্গে, সেই সূত্র বার করতে সময় লাগবে বলেই মনে করছে পুলিশ। তাহলে কি এরা অপরাধ জগতে নতুন? নাকি কোনোদিন ধরা পড়েনি বলেই রেকর্ড নেই? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। পুলিশের দাবি, এরা চেনা অপরাধী নয়।
ধৃতদের থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতে পুলিশের পদস্থ কর্তারা জেরা করবেন বলে জানা গিয়েছে। সুন্দরবনের নদীপথে অস্ত্র পাচারের চেষ্টার ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য পুলিশের শীর্ষমহলও। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এই চারজন আদতে অস্ত্র পারাপার করার সঙ্গে যুক্ত। চক্রের মূল মাথা অন্য কোথাও রয়েছে। তাই এই ঘটনার একদম মূলে পৌঁছাতে চাইছেন পুলিশকর্তারা। বারুইপুর পুলিশ জেলা তো বটেই, এমনকি রাজ্য পুলিশের এক পদস্থ কর্তাও ধৃতদের জেরা করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। সেজন্য ধৃতদের সুন্দরবন কোস্টাল থানায় না রেখে বাসন্তী থানায় রাখা হয়েছে বলে খবর।