


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যে কংগ্রেস শক্তিশালী হচ্ছে। কংগ্রেসের বিধায়ক এখন দুজন। সদ্যসমাপ্ত উপনির্বাচনেও নন্দীগ্রামে ভালো ফাইট দিয়েছে কংগ্রেস। গত ২১ জুলাই শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে তাদের জমায়েত হয়েছিল স্মরণকালের মধ্যে রেকর্ড। সব মিলিয়ে নবজোয়ার এখন রাজ্য কংগ্রেসে! তাতে শামিল হতে আগ্রহী অনেকেই। প্রাক্তন বিধায়ক, প্রাক্তন কাউন্সিলার, প্রাক্তন মেয়র পারিষদ প্রভৃতি কংগ্রেসে যোগও দিয়েছেন। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ে সকলকে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। ঠিক এই প্রেক্ষাপটেই আসন্ন পুরভোটে ‘হাত’-এর প্রার্থী হতে চান অনেকেই। কলকাতা, হাওড়া এবং বালি পুরভোটের জন্য ইতিমধ্যেই হাজারের কাছাকাছি আবেদনপত্র জমা পড়েছে বিধান ভবনে। এই আবেদন নেওয়া হবে আরও কয়েকদিন। এই প্রবণতা থেকে বিধান ভবনের কর্তারা বলছেন, সংখ্যাটি দু-হাজার ছাপিয়ে যেতে পারে। এই বিধানসভা নির্বাচনে আড়াই হাজারের বেশি আবেদনপত্র জমা পড়েছিল। পুরভোটের ছবিটি আরও আশাব্যঞ্জক। কংগ্রেসের প্রতি অন্য দলের রাজনৈতিক নেতা-কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের আগ্রহ দেখে উচ্ছ্বসিত বিধান ভবনের কর্তারা। তাঁরা বলছেন, আম জনতা বুঝতে পারছেন মোদিকে হটাতে পারে একমাত্র রাহুল গান্ধীর আন্দোলন। তাই আম জনতা তাঁর আন্দোলনের মাধ্যমে অন্যান্য দল ছেড়ে কংগ্রেসেই শামিল হচ্ছেন।
পুরভোট উপলক্ষ্যে শহরের মানুষও কংগ্রেসে দেদার আবেদনপত্র পাঠাচ্ছেন। এই ঘটনাকে হাতিয়ার করেই বিজেপির বিরুদ্ধে সুর ছড়িয়েছে বিধান ভবন। প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র সুমন রায়চৌধুরী বলেন, ক্ষমতাসীন বিজেপি ২০৯ জন বিধায়ক নিয়ে কলার তুলে কথা বলে। কিন্তু ‘সামান্য’ পুরভোটের জন্য শাসক দলকেও কেন ড্রপবক্সে প্রার্থীদের আবেদনপত্র নিতে হচ্ছে? ওদের কি প্রার্থী দেওয়ার মতো লোকবল নেই? সংগঠন বেহাল! বরং কংগ্রেসের প্রতিই মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধির প্রমাণ মিলছে রোজ।