


নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: বেহাল দশার ছবি এখন উধাও। সল্টলেক শহরের বেশিরভাগ রাস্তাই সংস্কার হয়েছে পুজোয়। ব্লকের ভিতরে কিছু জায়গায় আংশিক কাজ বাকি রয়েছে। মূল রাস্তা এখন ঝকঝকে। তবে খালপাড়ের রাস্তা এখনও মরণফাঁদ! কারণ, পাইপলাইন সংক্রান্ত কাজের জন্য ঢালাই রাস্তার একাধিক জায়গা কাটা হয়েছিল। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার পরও একই অবস্থা। মেরামত করা হয়নি। ফলে মসৃণ ঢালাই রাস্তার ধারেই বিশাল আকারের গর্ত দেখা যাচ্ছে। একটু অসাবধান হলেই বিপদ। দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য গর্তের আগে পুলিশের ব্যারিকেডও দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে এই রাস্তাটিরও সংস্কার প্রয়োজন। যাতে বিপদ না ঘটে।
সিআরপিএফ আইজি অফিস তথা নবনির্মিত নলবন মেট্রো স্টেশন থেকে চিংড়িঘাটাগামী খালপাড়ের রাস্তার এই দশা। পুরো রাস্তাটি ঢালাই করা। বেশিরভাগ অংশই ভালো রয়েছে। কিন্তু ওই রাস্তা ধরে চিংড়িঘাটার দিকে এগলে বাঁদিকে পরপর একাধিক জায়গায় ঢালাই রাস্তার বেশ কিছুটা করে অংশ কাটা হয়েছে। কাজ হয়ে যাওয়ার পর সেখানে মাটি-পাথর দেওয়া হলেও মূল ঢালাই রাস্তার থেকে তা এখনও কিছুটা নীচু। উঁচু হয়ে গিয়েছে আগের ঢালাই রাস্তা। বেশ কয়েকমাস ধরেই এই অবস্থা হয়ে রয়েছে। ওই রাস্তায় আলোর ব্যবস্থাও যথাযথ নয়। ফলে সন্ধ্যার পর একটু অসাবধান হলেই বড়ো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি বিপদ বাইক চালকদের। তাছাড়া, ওই রাস্তা দিয়ে দু’দিকে যান চলাচল করে। ফলে রাস্তার উপর চাপ থাকে যথেষ্ট। সন্ধ্যার পর অফিসযাত্রীদের ব্যাপক ভিড় থাকে এই রাস্তায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, সল্টলেকের ভিতরে একাধিক রাস্তা পুজোর আগে বা পুজোর সময় সংস্কার হয়েছে। দীর্ঘদিন পর শহরের মানুষ একটু স্বস্তি পেয়েছেন। যে রাস্তাগুলি বারবার বর্ষায় খারাপ হত, সেখানে কংক্রিটের ব্লক পাতা হয়েছে। কিন্তু খালপাড়ের রাস্তার এই কাটা অংশগুলি মেরামত হয়নি। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, খতিয়ে দেখে সংস্কারের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।