


নয়াদিল্লি: দিল্লি হাইকোর্টের রায়ে বড় ধাক্কা খেল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। বুধবার আদালতের তরফে জানানো হয়, ফেডারেশনের সচিব অনিলকুমার প্রভাকরনের নিয়োগ পদ্ধতি অবৈধ। জাতীয় স্পোর্টস কোডের নিয়ম মেনে তা হয়নি। মোদ্দা কথা, অনিলের কাজ করার ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ জারি হয়। তাঁর পরিবর্তে আপাতত দায়িত্ব সামলাবেন প্রাক্তন সচিব সত্যনারায়ণ। এই বিষয়ে পরবর্তী শুনানি আগামী ৮ এপ্রিল।
ফেডারেশন সচিবের নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন রঞ্জিত বাজাজ। আসলে ফেডারেশনের কার্যকরী সমিতির সদস্য ছিলেন এই অনিল। পরবর্তীতে ধূমকেতুর গতিতে তাঁর উত্থান। গত বছর জুলাইয়ে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার সচিব নির্বাচিত হন তিনি। এখানেই আসল রহস্য। নির্বাচিত প্রতিনিধি কীভাবে বেতনভুক্ত সচিব হতে পারেন? স্পোর্টস কোড কোনওভাবেই তাঁকে মান্যতা দেয় না। এরপরেই যাবতীয় সমস্যার সূত্রপাত। জানা গিয়েছে, সচিব হিসেবে মাসে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা বেতন পান অনিল। রাহুল মেহেরা, শিবম সিংয়ের মতো দুঁদে আইনজীবীরা ব্যাট করতে নামেন বাজাজের হয়ে। স্থগিতাদেশের পর যুদ্ধজয়ের উল্লাস শিবিরে। প্রবল চাপে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। সভাপতি কল্যাণ চৌবের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
এদিকে, একদিন আগেই ঘটা করে আপিল কমিটি ও শৃঙ্খলারক্ষা কমিটিতে নতুন মুখ নিয়োগ করে ফেডারেশন। প্রাক্তন ফুটবলার দীপঙ্কর রায় আপিল কমিটিতে জায়গা পান। প্রাক্তন রেফারি চিত্ত দাস মজুমদার ছিলেন শৃঙ্খলারক্ষা কমিটিতে। সেই নিয়োগে সই করেন অনিল। বুধবারের পর দীপঙ্করদের ভাগ্যও বিশ বাঁও জলে। পাশাপাশি শোনা যাচ্ছে, প্রাক্তন সচিব সাজি প্রভাকরনের অপসারনে পদ্ধতি নিয়েও এবার চাপে পড়তে চলেছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা।