


নয়াদিল্লি: ব্যাট হাতে রাঁচিতে ১৩ আর রায়পুরে ১। সেটাও যথাক্রমে ১৯ আর আট বলে। বোলিংয়েও একইরকম দায়সারা দশা। দু’ম্যাচে সাত ওভারের বেশি হাত ঘোরানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি। কোনও উইকেটও পাননি। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে ওয়াশিংটন সুন্দরের জায়গা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে তাঁর ভূমিকা নিয়ে চলছে চর্চা।
প্রাক্তন ভারতীয় অফ-স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন অবশ্য টিম ম্যানজেমেন্টকে এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছেন। নিজর ইউটিউব চ্যানেলে অ্যাশ বলেছেন, ‘ওকে খেলাতে হলে পুরোদস্তুর বোলার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। কোটার দশ ওভার দেওয়া জরুরি। ক্রমগত বল করলেই বোলারের মানসিকতা গড়ে উঠবে ওর মধ্যে। যদি ব্যাটিং আর কয়েক ওভার হাত ঘোরানোতেই ওর দায়িত্ব সীমাবদ্ধ থাকে, তবে নিজের মনেই সংশয় জন্মাবে। আমার কাজটা কী, ভাবতে থাকবে সারাক্ষণ। সেই মানসিক অবস্থায় ও যেন না পৌঁছয়। সুন্দরের থেকে ঠিক কী চাওয়া হচ্ছে, সেটা ওকে বুঝিয়ে বলা উচিত দলের।’
প্রথম একদিনের ম্যাচে পকেটে ৩৪৯ রান নিয়েও কোনও রকমে এসেছিল জয়। দ্বিতীয়টিতে ৩৫৮ রানের পুঁজিও সুরক্ষিত থাকেনি। চার উইকেটে জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে প্রোটিয়ারা। পরাজয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে ব্যাটিং অর্ডারে হার্দিক পান্ডিয়ার মতো ফিনিশারের অভাব দেখছেন অ্যাশ। তাঁর মতে, ‘দুটো ম্যাচেই ইনিংসের শেষদিকে ভারত সেভাবে রান তুলতে পারেনি। হার্দিকের মতো ফিনিশারের অনুপস্থিতি অনুভূত। বুঝতে পারছি না, নীতীশ রেড্ডিকে কেন খেলানো হচ্ছে না? ভারত কিন্তু ইনিংসের শেষে ধুমধাড়াক্কা চালাতে ব্যর্থ। এই পরিস্থিতিতে স্পিনার অলরাউন্ডার সুন্দরের চেয়ে পেসার অলরাউন্ডার নীতীশকে কাজে লাগানো যেতেই পারে।’