


পাল্লেকেলে: টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবোয়ের পর শ্রীলঙ্কার কাছে পরাজয়েই বিদায়ঘণ্টা বাজছিল। মঙ্গলবার আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিম্বাবোয়ের ম্যাচে বৃষ্টিতে ভেস্তে যেতেই মিচেল মার্শের দলের জন্য সুপার এইটের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। গ্রুপ ‘বি’ থেকে তিন ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শ্রীলঙ্কা পরের পর্বে উঠেছে আগেই। পয়েন্ট ভাগাভাগির পর জিম্বাবোয়ে (৫) চলে যায় অস্ট্রেলিয়ার (২) ধরাছোঁয়ার বাইরে। শেষ ম্যাচ জিতলেও জিম্বাবোয়েকে কোনওভাবেই পিছনে ফেলা সম্ভব নয় তাদের পক্ষে। ফলে ট্রাভিস হেড, অ্যাডাম জাম্পারা বিদায় নিলেন এদিনই। অন্যদিকে, সিকান্দার রাজার দল উঠে এল সুপার এইটে ভারতের গ্রুপে। ২৬ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ে টিম ইন্ডিয়ার মুখোমুখি জিম্বাবোয়ে।
এদিন চেন্নাইয়ে নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে হারাল কানাডাকে। যুবরাজ সামরা’র ৬৫ বলে ১১০ রানের সুবাদে প্রথমে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ১৭৩ তুলেছিল কানাডা। জবাবে ১৫.১ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছয় নিউজিল্যান্ড (১৭৬-২)। টিম সেফার্ট (৬), ফিন অ্যালেন (২১) দ্রুত ফিরলেও দলকে টানেন রাচীন রবীন্দ্র (৩৯ বলে অপরাজিত ৫৯) ও ‘ম্যাচের সেরা’ গ্লেন ফিলিপস (৩৬ বলে অপরাজিত ৭৬)। অবিচ্ছিন্ন তৃতীয় উইকেটে দু’জনে যোগ করেন ১৪৬ রান। এই জয়ের সুবাদে গ্রুপ ‘ডি’ থেকে সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার (৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট) সঙ্গী হল নিউজিল্যান্ড (৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট)। বিদায় নিল রশিদ খানের আফগানিস্তান (৩ ম্যাচে ২ পয়েন্ট)।
ওয়াংখেড়েতে এদিন স্কটল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারাল নেপাল। প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৭০ রান তোলে স্কটিশরা। সর্বাধিক ৭১ করেন মাইকেল জোন্স। তাঁর ৪৫ বলের ইনিংসে রয়েছে আটটি চার ও তিনটি ছক্কা। নেপালের সোমপাল কামি ৩ উইকেট নেন। জবাবে ১৯.২ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছয় নেপাল। দীপেন্দ্র সিং (২৩ বলে অপরাজিত ৫০), কৌশল ভুর্তেল (৪৩), আসিফ শেখ (৩৩) রান পান। টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটাই নেপালের প্রথম জয়।