


কলম্বো: শক্তি, সাফল্য এবং পরিসংখ্যানে দুই দলের মধ্যে আকাশ পাতাল ফারাক। চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে অন্যতম ফেভারিট অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে হারাতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি ক্যাঙারু বাহিনীকে। জিম্বাবোয়েও জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেছে। হারিয়েছে ওমানকে। আসলে এই জিম্বাবোয়ে দলটাকে অনেকেই বলছেন ডার্ক হর্স। স্কোয়াডে এমন কয়েকজন ক্রিকেটার আছেন, যাঁরা নিজের দিনে অনেক বাঘা প্রতিপক্ষকে মাটি ধরিয়ে দিতে পারেন। সেই কারণেই অস্ট্রেলিয়ার থেকে যথেষ্ট সমীহ আদায় করে নিচ্ছে জিম্বাবোয়।
অজিদের সবচেয়ে বড় সমস্যা চোট-আঘাত। ক্যাপ্টেন মিচেল মার্শ গত ম্যাচে খেলতে পারেননি। কবে মাঠে ফিরবেন তা নিশ্চিত নয়। ব্যাক-আপ হিসেবে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্টিভ স্মিথকে। আসলে মার্শের জন্য অপেক্ষা করতে চায় দল। তাই এই ম্যাচেও নেতৃত্ব দেবেন ট্রাভিস হেড। ওপেনও করবেন তিনি। ফর্মে থাকলে ট্রাভিস ঝড়ে তছনছ হতে পারে জিম্বাবোয়ের বোলিং। জস ইংলিশ, ক্যামেরন গ্রিনের মতো মারকুটে ব্যাটার পরীক্ষার মুখে ফেলবেন সিকন্দার রাজাদের। মিডল অর্ডারে ম্যাট রেনশ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টোইনিস অস্ট্রেলিয়ার বড় ভরসা।
অজিদের বোলিং আক্রমণও বেশ সাজানো। স্পিনার অ্যাডাম জাম্পার সঙ্গী হবেন কুপার কোনোলি। তিন পেসার হতে পারেন ব্রাটলেট, কুনেম্যান ও নাথান এলিস।
অন্যদিকে, জিম্বাবোয়ের পেসার ব্র্যাড ইভানস, মুজারবানি ও রিচার্ড নাগরাভাও অজি ব্যাটারদের বিপাকে ফেলতে পারেন। জিম্বাবোয়ের ক্যাপ্টেন সিকন্দর রাজা ম্যাচ উইনার। এক সময় আইপিএলেও খেলেছেন এই স্পিন অলরাউন্ডার। পাশাপাশি ব্যাটিংয়ে ব্রায়ান বেনেট, ব্রেন্ডন টেলরের উপর নজর থাকবে।
এদিকে, দিল্লিতে শুক্রবার গ্রুপ ‘ডি’র ম্যাচে কানাডা খেলবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে। দুই দলই জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া। এছাড়া চেন্নাইয়ে গ্রুপ ‘এ’র ম্যাচে আমেরিকার বিরুদ্ধে জিততে মরিয়া নেদারল্যান্ডস। প্রথম ম্যাচে ডাচরা হারিয়েছে নামিবিয়াকে। তবে হেরেছে পাকিস্তানের কাছে। আমেরিকাকে হারাতে পারলে বেঁচে থাকবে তাদের সুপার এইটে ওঠার আশা। সেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হবে ভারত-পাক ম্যাচ।
অস্ট্রেলিয়া-জিম্বাবোয়ে (সকাল ১১টা) কানাডা-ইউএই (বিকেল ৩টে) নেদারল্যান্ডস-আমেরিকা (সন্ধ্যা ৭টা)। * সম্প্রচার স্টারস্পোর্টস ও জিওহটস্টারে।