


ঢাকা: কৃষিজমি, বাড়ি, সোনার গয়না। সবই রয়েছে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। সেগুলিই ক্রোক করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। জনরোষের জেরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি ভারতে রয়েছেন। ইতিমধ্যে জুলাই বিপ্লবে হিংসায় ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল। আদালতের নির্দেশেই তাঁর সম্পত্তি ক্রোক করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ সরকার। তবে এনিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের নিয়মে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সম্পদ ক্রোক করার সংস্থান ছিল না। সম্প্রতি সেই সংক্রান্ত আইনের সংশোধন করা হয়েছে। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে হাসিনার দেওয়া সম্পত্তির হলফনামাকে ভিত্তি করেই এই ক্রোক হবে। হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী, তাঁর মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৪ কোটি ৩৬ লক্ষ বাংলাদেশি টাকা। কেবল ২০২২ সালেই তাঁর আয় হয়েছে ১ কোটি ৭ লক্ষ টাকা। এর বড় অংশই এসেছে কৃষি থেকে। ২০১৮ থকে ২০২৪ সালে তাঁর কৃষি আয় চারগুণ বেড়েছে। ২০১৮ থেকে ২০২২ পর্যন্ত তিনি ৭৫ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট করেছেন। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, তাঁর বার্ষিক আয় ১ কোটি ৯১ লক্ষ টাকা। তাঁর তিনটি গাড়ির মধ্যে একটি উপহার হিসাবে পাওয়া। দু’টি গাড়ির দাম ৪৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। সোনা এবং মূল্যবান অলংকার রয়েছে ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার।