


বার্সেলোনা- ৪ : বরুসিয়া ডর্টমুন্ড- ০
পিএসজি- ৩ : অ্যাস্টন ভিলা- ১
বার্সেলোনা: ২০১৪-১৫ মরশুমে শেষবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বাদ পেয়েছিল বার্সেলোনা। সেবার ‘এমএসএন’ (মেসি-সুয়ারেজ-নেইমার) ত্রিফলায় একের পর এক প্রতিপক্ষকে বিদ্ধ করে কাতালন ক্লাবটি। দীর্ঘ এক দশক পর আবারও ইউরোপ সেরার স্বপ্ন দেখছে তারা। আর এবারও দলের আপফ্রন্টে ফুল ফোটাচ্ছে অন্য ত্রিফলা (লিওয়ানডস্কি-রাফিনহা-ইয়ামাল)। এই তিন তারকার কাঁধে ভর করে বুধবার কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে ঘরের মাঠে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে চার গোলের মালা পরাল হান্স ফ্লিকের ছেলেরা। জোড়া গোলে ম্যাচের নায়ক রবার্ট লিওয়ানডস্কি। এছাড়া স্কোরশিটে নাম তোলেন রাফিনহা ও লামিনে। এই জয়ের সুবাদে কার্যত শেষ চারের চারের টিকিট নিশ্চিত বার্সেলোনার। আগামী ১৫ এপ্রিল ফিরতি লেগে বড়সড় অঘটন না ঘটলে বরুসিয়ার ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
হান্স ফ্লিকের কোচিংয়ে চলতি মরশুমে টানা ২৩ ম্যাচ অপরাজিত বার্সা। তার মধ্যে ১৯টিতে জয় পেয়েছে কাতালন ক্লাবটি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রায় প্রতি ম্যাচেই গড়ে তিনটি করে গোল করছেন অ্যাটাকাররা। বুধবারও ডর্টমুন্ডের বিরুদ্ধে ২৫ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বার্সা। ফারমিন লোপেজের সেন্টার থেকে প্রতিপক্ষ বক্সের ঠিক বাইরে বল নামিয়ে দেন ইনিগো মার্তিনেজ। তা থেকে কুবার্সির শট গোললাইন অতিক্রম করার ঠিক আগেই তাতে পা ঠেকান রাফিনহা (১-০)। বিরতির পরেই ব্যবধান বাড়ান লিওয়ানডস্কি। এবার লামিনের সেন্টার থেকে হেড করেন রাফিনহা। তবে সেই বল গোলে না থাকলেও, দ্বিতীয় পোস্টে দাঁড়িয়ে থাকা পোলিশ তারকা খুব সহজেই পাল্টা হেডে তা জালে জড়ান (২-০)। ৬৬ মিনিটে দলের তৃতীয় ও নিজের দ্বিতীয় গোলটি সেরে ফেলেন লিওয়ানডস্কি। বক্সের ডানদিক থেকে ফারমিন লোপেজের পাস ধরে দুরন্ত শটে জাল কাঁপান তিনি (৩-০)। ৭৭ মিনিটে বরুসিয়ার কফিনে শেষ পেরেকটি পোতেন লামিনে ইয়ামাল (৪-০)।
অন্যদিকে, শুরুতে পিছিয়ে পড়েও ঘরের মাঠে জয় তুলে নিল পিএসজি। অ্যাস্টন ভিলাকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় লুই এনরিকে-ব্রিগেড। ফরাসি ক্লাবটির হয়ে জাল কাঁপান যথাক্রমে ডিজায়ের দোয়ে, খভিচা কাভারাস্কেইয়া ও নুনো মেন্ডিজ। অ্যাস্টন ভিলার একমাত্র গোলটি মরগ্যান রজার্সের।