


বার্সেলোনা-৩ : বেনফিকা-১
(দুই লেগ মিলিয়ে ৪-১ জয়ী বার্সেলোনা)
বার্সেলোনা: মেয়ে অসুস্থ। সকাল থেকেই হাসপাতালের চক্কর কাটছিলেন রাফিনহা। সেখান থেকে সরাসরি মাঠে এসে বার্সেলোনকে জেতালেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। মঙ্গলবার ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলের দ্বিতীয় লেগে বেনফিকাকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে কাতালন ক্লাবটি। জোড়া লক্ষ্যভেদে নায়ক রাফিনহা। অপর গোলটি লামিনে ইয়ামালের। আর বেনফিকার হয়ে জাল কাঁপিয়েছেন ওটামেন্ডি। উল্লেখ্য, প্রথম লেগেও বেনফিকাকে তাদের মাঠে ১-০ বশ মানিয়েছে হ্যান্স ফ্লিকের দল। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-১ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছল বার্সেলোনা।
মঙ্গলবার প্রথম মিনিট থেকেই ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে বার্সেলোনা। ১১ মিনিটেই আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। প্রতিপক্ষের দু’জন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ক্রস বাড়ান লামিনে। দুরন্ত ভলিতে জাল কাঁপান রাফিনহা (১-০)। অবশ্য এই লিড দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। দু’মিনিটের মধ্যেই ওটামেন্ডির হেড বার্সা গোলরক্ষক সেজনির হাতে লেগে জালে জড়ায় (১-১)। তবে সমতায় ফেরার পরও সেভাবে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ বেনফিকা। উল্টোদিকে ২৭ মিনিটে ফের লিড নেয় বার্সা। এবার রাফিনহার ফ্রি-কিক থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের দুরন্ত বাঁক খাওয়ানো শটে লক্ষ্যভেদ ইয়ামালের (২-১)। সেই সুবাদে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে একই ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়েন স্প্যানিশ তরুণ (১৭ বছর ২৪১ দিন)। আর ৪২ মিনিটে রাফিনহার ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলে কার্যত বার্সার শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত হয়। বালদের থেকে বল পেয়ে কোনাকুনি শটে জাল কাঁপান ব্রাজিলিয়ান তারকা (৩-১)। চলতি প্রতিযোগিতায় এটা রাফিনহার ১১তম গোল। যা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক আসরে ব্রাজিলিয়ান মধ্যে সর্বাধিক। অথচ, এদিন তাঁর ম্যাচ খেলা নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। মেয়ের অসুস্থতার কারণে হাসপাতাল থেকে দেরিতে টিমের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু মানসিক চাপ কাটিয়ে প্রিয় দলের জার্সিতে জ্বলে উঠতে ভুল হল না।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অপর ম্যাচে লেভারকুসেনকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। দুই গোলদাতা হ্যারি কেন ও আলফান্সো ডেভিস। দুই লেগ মিলিয়ে ফল ৫-০। শেষ আটে বায়ার্নের প্রতিপক্ষ ইন্তার মিলান। ইতালির দলটি দুই লেগ মিলিয়ে ফেয়েনুর্ডকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়েছে।