


মুম্বই: ঘরে ফিরলেন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। আমেদাবাদ থেকে মুম্বই বিমানবন্দরে পা রাখতেই সূর্যকুমার যাদবকে নিয়ে শুরু উন্মাদনা। তৃতীয়বারের জন্য টি-২০ বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে টিম ইন্ডিয়া। সেই সঙ্গে টানা দু’বার কাপ জয়ের নজিরও গড়েছে সঞ্জুরা। বাড়িতে পৌঁছানোর পর ক্যাপ্টেন বলেন, ‘২০২৪ ও ২০২৬ বিশ্বকাপ পরপর জয়ের আনন্দই আলাদা। এটা খুবই স্পেশাল অনুভূতি। আগেরবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সময়ই মনে হয়েছিল যে পরেরবারও জিততে পারলে দারুণ হবে। ২০২৮ সালে ওলিম্পিকসে সোনা জেতা এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য। দল দারুণ ছন্দে আছে। ওলিম্পিকসে সোনার সঙ্গে যদি সে বছর টি-২০ বিশ্বকাপও জিতি, তাহলে তো কথাই নেই।’
আপাতত কদিনের বিশ্রাম। তারপরই আইপিএলের প্র্যাকটিস শুরু করবেন সূর্য। তাঁর কথায়, ‘আইপিএলের পর ওলিম্পিকসের ভাবনা শুরু করব। সোনা জিততেই হবে আমাদের।’ উল্লেখ্য, ২০২৮ সালের ওলিম্পিকস হবে আমেরিকার লস এঞ্জেলসে। এদিনই সূর্যদের বিশ্বকাপজয়ী দলের জন্য ১৩১ কোটি টাকার আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করল বিসিসিআই। ১৫জন ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফের মধ্যে এই টাকাটা ভাগ হবে। তবে সিংহভাগ অর্থ পাবেন ক্রিকেটাররাই। দু’বছর আগে রোহিতের বিশ্বকাপজয়ী দল পেয়েছিল ১২৫ কোটি টাকা।
এদিকে, পাটনা বিমানবন্দর থেকে বেরোতেই ঈশান কিষানকে ছেঁকে ধরেন অনুরাগীরা। পরিয়ে দেওয়া হয় মালাও। পুরো চত্বর তখন ‘ঈশান, ঈশান’ স্লোগানে কাঁপছে। অনুরাগীদের এমন ভালোবাসায় আপ্লুত ভারতের বিশ্বজয়ের অন্যতম নায়ক। তিনি বলেন, ‘দারুণ অনুভূতি। বিশ্বকাপ জয়টা শুধু আমাদের নয়, পুরো দেশের কাছে স্পেশাল। ভবিষ্যতে আরো ভালো খেলে দেশের নাম উজ্জ্বল করতে চাই। বিশ্বাস করি, আমাদের পারফরম্যান্সে অনুপ্রাণিত হবে নতুন প্রজন্ম।’
অবশ্য কীর্তি আজাদ নিয়ে প্রশ্ন করলে বিরক্ত হন ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক ঈশান কিষান। আসলে টি-২০ বিশ্বকাপ জেতার পর ট্রফি নিয়ে মন্দিরে গিয়েছিলেন জয় শাহ, গৌতম গম্ভীর, সূর্যকুমার যাদবরা। তাতে ক্ষুব্ধ কীর্তি আজাদের কটাক্ষ, ট্রফি নিয়ে একটি নির্দিষ্ট ধর্মের ভিকট্রি ল্যাপ হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে তরুণ তুর্কি ঈশান কিষানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপ জিতে এসেছি! কিছু তো ভালো প্রশ্ন করুন। কীর্তি আজাদ কী বলেছেন, তাতে আমার কী যায় আসে!’