


নয়াদিল্লি: মধ্যপ্রদেশে রাজ্যসভার আসনে কংগ্রেস নেত্রী মীনাক্ষী নটরাজনের প্রার্থীপদ বাতিল সংক্রান্ত বিতর্ক পৌঁছেছে সুপ্রিম কোর্টে। আজ শুক্রবার সেই মামলার শুনানি। এরমধ্যেই বৃহস্পতিবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সময়সীমার পর মধ্যপ্রদেশের তিনটি রাজ্যসভা আসনেই বিজেপি প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করা হল। ১৮ জুন এই তিন আসনে ভোট গ্রহণের কথা ছিল। এই ঘটনায় বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের যুগলবন্দির অভিযোগ তুলে সরব রাহুল গান্ধী। লোকসভার বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ, ‘সিট চুরির মাধ্যমে লড়াই শুরু হওয়ার আগেই খতম করে দিল কমিশন-বিজেপির যুগলবন্দি।’
রাহুলের দাবি, বিজেপি তুচ্ছ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সমস্ত নথি দেওয়া সত্ত্বেও মীনাক্ষী নটরাজনের প্রার্থীপদ বাতিল করে দিয়েছে কমিশন। অন্যদিকে, ঝাড়খণ্ডে এনডিএ সমর্থিত প্রার্থী নামের ভুল ও একাধিক নথি এড়িয়ে গেলেও সংশোধনের সুযোগ দিয়েছে কমিশন। এই ঘটনায় কমিশনের পক্ষপাতিত্ব বেআব্রু হয়ে গিয়েছে বলে দাবি কংগ্রেস নেতার। তিনি আরও বলেছেন, কমিশন প্রথমে কংগ্রেসের সঙ্গে দেখা করেনি। তাঁর দাবি, শেষপর্যন্ত দেখা করলেও একটি কথাও তারা বলেনি।
বৃহস্পতিবার মীনাক্ষীর মামলার আবেদনের সময়ই রাজ্যসভার আসনে নির্বাচন স্থগিত রাখার আর্জি জানান মীনাক্ষীর আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তবে তাতে সাড়া দেয়নি শীর্ষ আদালত। বিচারপতি প্রশান্ত কুমার ও বিচারপতি অতুল এস চন্দ্রশেখরের বেঞ্চ জানায়, নির্বাচন প্রক্রিয়া একবার শুরু হয়ে গেলে তা স্থগিত রাখার কথা বলতে পারে না আদালত।তবে মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে আদালত। মধ্যপ্রদেশে রাজ্যসভা নির্বাচনে তথ্য গোপনের অভিযোগে কংগ্রেস নেত্রী মীনাক্ষী নটরাজনের প্রার্থীপদ খারিজ করেছেন রিটার্নিং অফিসার অরবিন্দ শর্মা। এর প্রতিবাদে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয় কংগ্রেস। তারপরই সুপ্রিম কোর্টে আরজি জানানো হয়।