


নিজস্ব প্রতিনিধি, লন্ডন: এলন মাস্কের মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’ সম্পর্কে একাধিক অভিযোগ। সেই জন্য এই প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে দিচ্ছেন ব্রিটেনের সংস্কৃতিমন্ত্রী লিসা নন্দী। একই পথে হাঁটতে চলেছে সেদেশের গণমাধ্যম, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি দপ্তর (ডিসিএমএস)ও। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্ব রয়েছে লিসার হাতে। অভিযোগ, বাক স্বাধীনতা ও অবাধভাবে মতামত প্রকাশকে উৎসাহিত করার মূল উদ্দেশ্য থেকে সরে গিয়েছে এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। এক্স হান্ডলে নিজের শেষ পোস্টে লিসা লেখেন, ‘এই প্ল্যাটফর্মটি মূলত বাক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। সেটি এখন অর্থপূর্ণ বিতর্কের চেয়ে হেনস্তা আর ভুল তথ্যকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এক্স আমাদের গণতন্ত্র আর সম্প্রদায়ের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। এই সমাজমাধ্যমকে আর সমর্থন করতে চাই না।’ গত মাসে ‘এক্স’ ব্যবহার করা বন্ধ করেছে ব্রিটেনের অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর। এবিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল লর্ড হারমার বলেছিলেন, ‘আমি মানুষকে সম্মান দিয়ে বিতর্ক ও আলোচনা চালিয়ে যেতে পারি। তার জন্য জাতি ও নারী বিদ্বেষের পক্ষে সওয়াল করে এমন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।’
উল্লেখ্য, ‘এক্স’ সম্পর্কে অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ এই প্রথম নয়। চলতি বছরের শুরুতেই ব্রিটিশ পার্লামেন্টের বেশ কয়েকজন সদস্য একই পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। এবার সংস্কৃতিমন্ত্রী লিসাও সেই দলে যোগ দিলেন। যদিও তিনি ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও লিঙ্কডইনের ব্যবহার চালিয়ে যাবেন।
১০ ডাউনিং স্ট্রিট অবশ্য জানিয়েছে, তারা ‘এক্স’ ব্যবহার করবে। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের এক মুখপাত্র এব্যাপারে জানান, ‘আমরা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের বিষয়টি যাচাই করে দেখছি। মন্ত্রী ও তাঁদের দপ্তর এক্স ব্যবহারে বিরত থাকতে পারেন। এটা তাঁদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।’ এদিকে লিসার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন কনজারভেটিভ নেত্রী কেমি ব্যাডেনক। এক্স হ্যান্ডলে তাঁর পোস্ট, ‘ডিসিএমএসের উচিত ভুয়ো তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করা। চাপে পড়ে পালিয়ে যাওয়াটা ঠিক নয়।’