


নয়াদিল্লি: যন্তরমন্তর সহ দেশের নানা প্রান্তে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে ক্রমে বাড়ছে ক্ষোভ। এরইমাঝে আরএসএস নেতা টি জি মোহনদাসের মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়। সম্প্রতি এক ভিডিয়োবার্তায় আরএসএস নেতা বলেন, ‘ক্ষমতা থাকলে যন্তরমন্তরের চারদিকে ৪ বর্গকিলোমিটার জুড়ে কার্ফু জারি করতাম। তারপর বিক্ষোভকারীদের গুলি করতাম। কেউ মারা যেত। কেউ কোনোরকমে বেঁচে থাকত। চারঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসত।’ তাঁর সংযোজন — প্রয়োজনে গণধর্ষণ চলত। ওখানে অনেক মহিলা আছে যারা ধর্ষণ ভালোবাসে। মূলত বামপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ সংগঠনের মহিলাদের নিশানা করেই কটাক্ষ করেন মোহনদাস। আর এই বক্তব্য সামনে আসতেই দেশজুড়ে জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্র-যুবদের নিয়ে এহেন মন্তব্যের নিন্দায় সরব হয়েছে নানা মহল। কারও কথায়, এটাই আরএসএসের আসল রূপ। শেষমেশ চাপে পড়ে সাফই দিয়েছেন আরএসএস নেতা। তাঁর কথায়, ‘আমি একটি ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছিলাম। ৩১ মিনিটের ওই আলোচনাধর্মী ভিডিয়োটি পুরোটা না দেখেই ফেসবুকের কিছু লোকজন অযথা বিতর্ক তৈরি করছে।’ তাঁর অভিযোগ, জামাত-ই-ইসলামির পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি একটি ইউটিউব চ্যানেল এটি প্রথম দেখায়। তারপর বাম সমর্থকরা সমাজ মাধ্যমে সেটি ছড়িয়ে দেয়।