


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সুগার, প্রেশার, কোলেস্টেরলসহ ৩০ ধরনের ওষুধের দাম বেঁধে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রক সংস্থা ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইজিং অথরিটি (এনপিপিএ) এক নির্দেশনামায় একথা জানিয়েছে। তাদের ঘোষিত তালিকায় দেখা গিয়েছে, এই ৩০টি ওষুধের মধ্যে রয়েছে অন্তত ৫টি প্রেশারের ওষুধ, অন্তত ৪ ধরনের সুগারের ওষুধ এবং ৫ ধরনের ব্যথার ওষুধ। এছাড়া হজমের সমস্যা, হাঁচি- কাশি-অ্যালার্জি, ভিটামিন ডি৩, একাধিক জনপ্রিয় অ্যান্টিবায়োটিকও রয়েছে তালিকায়। তালিকায় রাখা হয়েছে ট্যাকরোলিমাসের মতো অঙ্গ প্রতিস্থাপনে জরুরি ওষুধও। এই ধরনের ওষুধ ‘ইমিউনোসাপ্রেসিভ’ বলে পরিচিত। এগুলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে প্রতিস্থাপনের পর গ্রহীতার অঙ্গদাতার শরীরে রিজেকশন বা বর্জনের আশঙ্কা কমায়। দামের ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়ার এই তালিকায় রয়েছে স্ত্রীরোগের সমস্যার ওষুধও। ৩০টি ওষুধের এই তালিকার গুরুত্বপূর্ণ নামগুলির দিকে একবার চোখ বোলানো যাক। এতে রয়েছে অ্যাটরভাসটাটিন ও ফেনোফ্রিবেটের মতো রক্ত পাতলা করবার কোলেস্টেরলের ওষুধ।
রয়েছে মন্টেলিউকাস্ট ও বিলাসটিনের মতো হাঁচি-কাশি-অ্যালার্জির ওষুধ। আছে অ্যামলোডিপিনের মতো হার্ট অ্যাটাক ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের রাখবার এবং পটাশিয়াম ক্ল্যাভিউলানেটের মতো বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকও। এছাড়া সিটাগ্লিপটিন, মেটফরমিনের মতো সুগারের, প্যারাসিটামল এবং ডাইক্লোফেনাকের মতো ব্যথার ওষুধকেও রাখা হয়েছে এই তালিকায়। ওষুধ শিল্পমহল সূত্রের খবর, বাজারের আসার প্রথম পাঁচবছরের পরই কোনো ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে।