


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছাতেই প্রকাশ্যে এল এক নাবালিকার বিয়ের ঘটনা। বিদ্যাসাগর হাসপাতালের তরফে বিষয়টি জানানো হয় ঠাকুরপুকুর থানায়। তার ভিত্তিতে ধর্ষণ, নাবালিকাকে যৌননির্যাতনসহ একাধিক ধারায় কেস রুজু করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হলেও অভিযুক্ত স্বামী পলাতক।
মাসখানেক আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, নাবালিকার বিয়ে হলেই কঠোর পদক্ষেপ করবে পুলিশ। বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এই ধরনের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হবে অভিযুক্তদের। নাবালিকার বিয়ে নিয়ে তারপর বিভিন্ন থানায় একাধিক কেস রুজু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বেহালার বিদ্যাসাগর হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আসে এক নাবালিকা। তার আধার চাওয়া হয়। সেটি দেখেই হাসপাতালের কর্মীরা বুঝতে পারেন, তার বয়স মাত্র ষোলো! তাকে হাসপাতালে ভরতি নেওয়া হয়। সে একটি সন্তান প্রসবও করে সেখানে।
হাসপাতালের তরফে ঠাকুরপুকুর থানাকে বিষয়টি জানানো হয়। অফিসাররা হাজির হন ওই হাসপাতালে। তাঁরা ওই নাবালিকার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, গত জানুয়ারিতে এক নাবালকের সঙ্গেই বিয়ে হয় তার। এরপর সে গর্ভবতী হয়ে পড়ে। যে নাবালকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে তার তথ্যও জোগাড়
করে পুলিশ। এরপরই থানার তরফে ধর্ষণ, নাবালিকাকে যৌননিগ্রহসহ একাধিক ধারায় কেস রুজু হয়। ওই নাবালিকা এখন হাসপাতালে ভরতি। অভিযুক্ত তার স্বামীকে (নাবালক) খোঁজা হচ্ছে।