


নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: রক্ষকই এখন ভক্ষক। ধর্ষণের অভিযোগ উঠল ধূপগুড়ির তিন সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ মেখলিগঞ্জের এক তরুণীকে ধূপগুড়িকে নিয়ে এসে বাড়িভাড়া করে লাগাতার ধর্ষণ করে তিন সিভিক।
জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে মেখলিগঞ্জের এক তরুণীকে প্রোলোভন দেখিয়ে ধূপগুড়িতে নিয়ে আসে অভিযুক্তরা। সেখানে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে তরুণীকে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। নির্যাতিতা তরুণী মেখলিগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর দ্রুত তদন্ত শুরু করে কোচবিহার জেলা পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গিয়েছে অভিযুক্ত তিন যুবকই ধূপগুড়ি থানায় সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কর্মরত। সেইসঙ্গে তারা সাদা পোশাকের পিসি পার্টির পুলিশকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত ডিউটি করত। পুলিশ আরও জানায়, স্থানীয়রা দাবি করে এর আগেও নিজেদের পরিচয় ও পুলিশি প্রভাবকে ঢাল বানিয়ে একাধিক অপরাধমূলক কাজ করে অভিযুক্তরা। ভয়ে এতদিন কেউ মুখ খোলার সাহস পাননি তারা। কিন্তু অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে মেখলিগঞ্জের ওই তরুণী শেষপর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হন। তরুণীর পরিবারের তরফে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারকে। ধৃতের নাম বুলবুল আলম (৩০)। তিনি ধূপগুড়ি থানার ভেমটিয়া এলাকার বাসিন্দা। ধূপগুড়ি থানাতেই কর্মরত ছিলেন। তবে ঘটনার মূল অভিযুক্ত বাকি দুই সিভিক ভলান্টিয়ার এখনও পলাতক। পুলিশ তাঁদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে।