


নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: বড়ো সাফল্য রাজ্যের দুর্নীতি দমন শাখার। অবৈধ বালি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠল ঝাড়গ্রাম থানার এক কনস্টেবল রতন প্রামাণিকের উপর। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কাল মঙ্গলবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্যের দুর্নীতি দমন শাখা । পাশাপাশি তিনজন বালি ব্যবসায়ীর দালাল শান্তনু বারিক, দীপঙ্কর বারিক ও রবি বারিকেও গ্রেপ্তার করেছেন তাঁরা। ধৃত তিনজনের বাড়ি বাঁধগোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্যামসুন্দরপুর গ্রামে।
জানা গিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে মোট ৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর কলকাতার উদ্দেশ্যে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বাঁধগড়া এলাকায় হানা দিয়ে প্রথমে রবি ও দীপঙ্কর বারিককে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী দল। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে শান্তনু বারিকের সন্ধান পায় পুলিশ। এরপর শান্তনুর বাড়ি থেকে ট্রাক্টর মালিকদের থেকে আদায় করা টাকা উদ্ধার করা হয়। দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা জানতে পারেন যে আদায় করা টাকা ঝাড়গ্রাম থানার কোনো এক কনস্টেবলকে দেওয়া হবে। সেই জেরে তদন্তকারী দলের আধিকারিকরা বালি ব্যবসায়ী সেজে শান্তনুর সঙ্গে রাতে ঝাড়গ্রাম থানায় পৌঁছয়। একটি ব্যাগে করে নিয়ে আসা ৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ঝাড়গ্রাম থানার কনস্টেবল রতন প্রামাণিকের হাতে তুলে দেওয়ার সময় তাকে হাতে নাতে পাকড়াও করে দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কারা কারা জড়িয়ে তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।