


সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: নবদ্বীপের মনিপুরে রানির বাড়ি সোনার মন্দিরে দোল মহামহোৎসব শুরু হল। শনিবার অধিবাস ও সামাজিক কর্মসূচির মাধ্যমে মহারানি ধনমঞ্জুরী দেবী প্রতিষ্ঠিত শ্রী শ্রীমদ রাধাকৃষ্ণ চন্দ্রদেব জিউ এবং শ্রীশ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু জিউ মন্দিরে এই উৎসবের সূচনা হয়। ৩ মার্চ মঙ্গলবার দোলপূর্ণিমা বা গৌরপূর্ণিমা, সেই উপলক্ষ্যে শনিবার মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ফল বিলি এবং রক্তদান শিবির কর্মসূচি হয়। সন্ধ্যায় মন্দিরে ভাগবত পাঠ হয়েছে।
রবিবার সকালে আচার্যা মাধবী দাসী গোস্বামীর পুষ্পসমাধি মন্দির উদ্বোধন করেন অধ্যক্ষা মৃগাঙ্কা মাহান্তি। এদিন সন্ধ্যায় কলকাতার ‘নৃত্যাভাষ পারফরমিং আর্ট’-এর পরিচালনায় ‘ভানুসিংহের পদাবলী’ পরিবেশিত হয়। পরিচালনায় ছিলেন সঞ্চয়িতা মুন্সি(সাহা)। সোমবার সকালে সোনার মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে মহাপ্রভু ও গুরুদেবের প্রতিকৃতি নিয়ে ১০৮মৃদঙ্গ সহকারে নগর পরিক্রমা বের হবে। ওইদিন সন্ধ্যায় শিল্পী পদ্ম পলাশ লীলাকীর্তন পরিবেশন করবেন।
৩মার্চ মঙ্গলবার সকালে গুরুদেব স্বামী শ্রী শ্রীমদ ভক্তিশ্রবণ তীর্থ গোস্বামী মহারাজের অভিষেক, পূজার্চনা ও পুষ্পাঞ্জলি হবে। দুপুরে ভোগ-আরতি ও কীর্তনের পর মহাপ্রসাদ বিলি করা হবে। ওইদিন সন্ধ্যায় বিশিষ্ট শিল্পী সৃজন চট্টোপাধ্যায়ের দাঁদরা, ঠুমরি ও ভক্তিগীতি পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি হবে।
মন্দিরের অধ্যক্ষা বলেন, গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আবির্ভাব তিথি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। সেইসঙ্গে শ্রীগৌরাঙ্গ আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা ১০৮ ত্রিদণ্ডী স্বামী শ্রী শ্রীমদ ভক্তিশ্রবণ তীর্থ গোস্বামী মহারাজের শততম আবির্ভাব তিথির পুজো হবে। তিনিও দোলপূর্ণিমার তিথিতে আবির্ভূত হয়েছিলেন। মনিপুর সোনার মন্দির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য অশোক অধিকারী ও সত্যজিৎ সাহা বলেন, উৎসব উপলক্ষ্যে বাইরে থেকে অসংখ্য ভক্ত এসেছেন। সবার জন্যই মহাপ্রসাদের আয়োজন করা হয়েছে।