


সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ পুরসভার ৪ এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড পাশাপাশি। দুই ওয়ার্ডে রয়েছে একাধিক পাড়া। ওই দুই ওয়ার্ডে একাধিক দুর্গাপুজোও হয়। কিন্তু স্কুলরোড পাড়ায় এতদিন দুর্গাপুজো হতো না। এনিয়ে আক্ষেপ ছিল এলাকাবাসীর। পাড়ার মহিলারা বেশ কয়েকবছর ধরে পরিকল্পনাও করছিলেন দুর্গাপুজো করার। কিন্তু নানা কারণে হয়নি। এবার অন্নপূর্ণা যোজনার মাসিক তিন হাজার টাকা পেয়ে পুজো করার সাহস পেয়েছেন মহিলারা। এবার প্রথমবারের মতো দেবী দুর্গার আরাধনা করবেন অন্নপূর্ণারা।
ইতিমধ্যে পুজো আয়োজনের জন্য কমিটি তৈরি হয়েছে। নাম রাখা হয়েছে অন্নপূর্ণা মহিলা সমিতি। সেখানে অন্তত ২০ জন মহিলা সদস্য রয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, ইতিমধ্যে প্রতিমা অর্ডার দেওয়া হয়েছে। পুরোহিতকেও বায়না দেওয়া হয়েছে। রীতি মেনে ধুমধাম করে স্কুলপাড়ায় দুর্গাপুজো হবে প্রথমবারের মতো। পুজো কমিটির সদস্যা রিংকি সরকার দাস বলেন, পুজো আয়োজনে যাতে আর্থিক সমস্যা না হয়, সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও ফোনে সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে। সাহায্য পেতে মালদহ থানাতেও লিখিত আবেদন করেছেন সদস্যারা।
পুজোর অন্যতম উদ্যোক্তা অন্নপূর্ণা দাস বলেন, সব পাড়ায় পুজো হয়। আমাদের পাড়ায় কোনো পুজো হয় না। ফলে পুজোয় পাঁচটা দিন তেমন আনন্দ করার সুযোগ থাকত না। পাশের পাড়ায় গিয়ে অঞ্জলি দিতে হত। সেখানেও খুব ভিড়। তাই আমরা এবার পাড়াতেই পুজো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
রিংকি, অন্নপূর্ণারা জানালেন, আপাতত মহিলাদের চাঁদায় পুজো হবে। এলাকার প্রায় সব মহিলাই অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতা পাচ্ছেন। কেউ বিধবা, বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন। সেখান থেকেই মাসে মাসে দু’হাজার, এক হাজার টাকা জমিয়ে রাখছেন তাঁরা। সেই টাকা দিয়েই পুজো হবে। এলাকা থেকেও চাঁদা তোলা হবে।সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ পুরসভার ৪ এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড পাশাপাশি। দুই ওয়ার্ডে রয়েছে একাধিক পাড়া। ওই দুই ওয়ার্ডে একাধিক দুর্গাপুজোও হয়। কিন্তু স্কুলরোড পাড়ায় এতদিন দুর্গাপুজো হতো না। এনিয়ে আক্ষেপ ছিল এলাকাবাসীর। পাড়ার মহিলারা বেশ কয়েকবছর ধরে পরিকল্পনাও করছিলেন দুর্গাপুজো করার। কিন্তু নানা কারণে হয়নি। এবার অন্নপূর্ণা যোজনার মাসিক তিন হাজার টাকা পেয়ে পুজো করার সাহস পেয়েছেন মহিলারা। এবার প্রথমবারের মতো দেবী দুর্গার আরাধনা করবেন অন্নপূর্ণারা।
ইতিমধ্যে পুজো আয়োজনের জন্য কমিটি তৈরি হয়েছে। নাম রাখা হয়েছে অন্নপূর্ণা মহিলা সমিতি। সেখানে অন্তত ২০ জন মহিলা সদস্য রয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, ইতিমধ্যে প্রতিমা অর্ডার দেওয়া হয়েছে। পুরোহিতকেও বায়না দেওয়া হয়েছে। রীতি মেনে ধুমধাম করে স্কুলপাড়ায় দুর্গাপুজো হবে প্রথমবারের মতো। পুজো কমিটির সদস্যা রিংকি সরকার দাস বলেন, পুজো আয়োজনে যাতে আর্থিক সমস্যা না হয়, সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও ফোনে সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে। সাহায্য পেতে মালদহ থানাতেও লিখিত আবেদন করেছেন সদস্যারা।
পুজোর অন্যতম উদ্যোক্তা অন্নপূর্ণা দাস বলেন, সব পাড়ায় পুজো হয়। আমাদের পাড়ায় কোনো পুজো হয় না। ফলে পুজোয় পাঁচটা দিন তেমন আনন্দ করার সুযোগ থাকত না। পাশের পাড়ায় গিয়ে অঞ্জলি দিতে হত। সেখানেও খুব ভিড়। তাই আমরা এবার পাড়াতেই পুজো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
রিংকি, অন্নপূর্ণারা জানালেন, আপাতত মহিলাদের চাঁদায় পুজো হবে। এলাকার প্রায় সব মহিলাই অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতা পাচ্ছেন। কেউ বিধবা, বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন। সেখান থেকেই মাসে মাসে দু’হাজার, এক হাজার টাকা জমিয়ে রাখছেন তাঁরা। সেই টাকা দিয়েই পুজো হবে। এলাকা থেকেও চাঁদা তোলা হবে।