


নয়াদিল্লি: নিটের পর ইউজিসি-নেট। একের পর এক পরীক্ষা পরিচালনায় ডাহা ফেল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। প্রশ্নফাঁস হওয়ায় মেডিকেলে ভরতি প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট নতুন করে আয়োজন করতে হয়। এরইমধ্যে নেটের সমাজবিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রে বিস্তর ভুল থাকার অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের দাবি, প্রশ্নপত্রে একাধিক বানান ভুল ছাপা হয়েছিল। একইসঙ্গে ইংরেজি প্রশ্নপত্রের একাধিক প্রশ্ন ২০২৪ সালের পরীক্ষার সঙ্গে মিলে গিয়েছে বলেও অভিযোগ। বৃহস্পতিবার এনটিএ’র এই ধারাবাহিক খারাপ পারফরম্যান্স নিয়ে কেন্দ্রকে একহাত নিল কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডলে প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশের তোপ, ‘২১ জুন রি-নিটের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সাহায্য নিতে হয়েছিল। এই ঘটনায় মোদির সরকারের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।’ বারবার সংস্কারের কথা জানালেও প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে এনটিএ। জয়রামের দাবি, ‘ইউজিসি-নেটের ইংরেজি পরীক্ষার একাধিক প্রশ্ন আগের প্রশ্নপত্র থেকে টুকে দেওয়া হয়েছে। সমাজবিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রের ছত্রে ছত্রে বানান, ব্যাকরণে ভুল। এনটিএ মোটেই নির্ভরযোগ্য নয়। সংস্কার করে এনটিএ’কে আরও শক্তিশালী করার আশ্বাস দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি যে অযোগ্য তা প্রকাশ্যে চলে এসেছে।’
এদিকে জানা গিয়েছে, গত ৩ মে ২২ লক্ষ ৫ হাজার ৩৫জন পরীক্ষার্থী নিট দিয়েছিলেন। অথচ ২১ জুন রি-নিটে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২০ লক্ষ। অর্থাৎ, ২ লক্ষের বেশি পরীক্ষার্থী রিটেস্ট দেননি। তথ্য জানাচ্ছে, একমাসে কমপক্ষে ২১ জন পরীক্ষার্থী আত্মঘাতী হয়েছেন। এই ঘটনার জন্য প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকেই দায়ী করেছে বিশেষজ্ঞ মহল। অভিযোগ, এর ফের গোটা প্রক্রিয়ার উপর বিশ্বাস হারিয়েছেন বহু পরীক্ষার্থী। এব্যাপারে এনটিএ সূত্রের দাবি, ‘নিটের পাশাপাশি বহু পড়ুয়া জেইই ও জেইই-অ্যাডভান্সড দেন। সেখানে ভালো ফল হলে অনেকেই মেডিকেল পড়ার বিষয়ে আগ্রহ হারান। অনেকে আবার বিদেশে চলে যান।’