


গান্ধীনগর, ২ নভেম্বর: ঘরের অশান্তির জেরে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন স্ত্রী। ছেলের পরীক্ষা থাকায় তাকে বাবার কাছেই রেখে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত যে এমন ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে তা ঘুণাক্ষরেই টের পাননি মা। ১০ দিন পর প্রতিবেশীর ফোন পেয়ে বাড়ি ফিরে এসে দেখলেন, রক্তাক্ত অবস্থায় খাটের উপর পড়ে রয়েছে ছেলের নিথর দেহ। আর পাশের খাটেই নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছেন বাবা! ছেলেকে খুনের অভিযোগ সেই বাবার বিরুদ্ধেই। তাঁর নাম নরেশ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি গুজরাটের আহমেদাবাদের ভিঞ্চিয়া গ্রামের।
জানা গিয়েছে, নরেশ পেশায় একজন তান্ত্রীক। তাঁর মৃত ছেলের নাম করণ প্যাটেল। নরেশের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ভারতীবেনের ঝগড়া হয়। সেই রাগে নিজের বাপের বাড়ি চলে যায় ভারতী। ১০ দিন পরে তাঁর কাছে প্রতিবেশীর ফোন আসে। তখন তিনি জানতে পারেন যে নরেশ তাঁর ছেলেকে লাঠি দিয়ে পিটিয়েছে। তৎক্ষণাৎ বাপের বাড়ি থেকে নিজের গ্রামে ফেরত আসেন তিনি। এসে দেখেন ছেলের রক্তাক্ত দেহ খাটের উপর পড়ে রয়েছে। পাশের খাটে নরেশ ঘুমাচ্ছে। এরপর কাছে গিয়ে দেখেন ছেলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে। তড়িঘড়ি নরেশকে ডেকে তোলেন ভারতী। তাঁর কাছে জানতে চান কী ঘটনা ঘটেছে। তখন নরেশ পুরো ঘটনাটি স্বীকার করে। কিন্তু অস্বাভাবিক সুরে নরেশ জানায়, তাঁর ছেলে যাতে বড় হয়ে তাঁর মতো তান্ত্রীক না হতে পারে সেই কারণেই পিটিয়ে খুন করেছে সে। এরপরই পুলিশে খবর দেন ভারতী। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে নরেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। শিশুটির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।