


মুম্বই: টানা দু’দিন বিপর্যয়ের পর মঙ্গলবার মুম্বইয়ে কমল বৃষ্টি। ফলে কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন স্থানীয়রা। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ট্রেন ও যান চলাচল। এদিনও সরকারি, বেসরকারি ও পুরসভা পরিচালিত স্কুল, কলেজ বন্ধ ছিল। তবে বিপদ এখনও কাটেনি। টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন একাধিক এলাকা। বেশকিছু জায়গায় ভূমিধস নেমেছে। সোমবার মালাড ও গোভান্ডিতে জলে ডুবে দুই নাবালকের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে সোমবার মহারাষ্ট্রজুড়ে কমপক্ষে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরইমধ্যে থানে, পুনে, পালঘর সহ মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। নাসিকে মেঘভাঙা বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। এই খবর পাওয়ামাত্র ইগাতপুরী ও ত্রমবকেশ্বরে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন বিপর্যয় মোকাবিলামন্ত্রী গিরিশ মহাজন। বাসিন্দাদের প্রতি মুহূর্তে সতর্ক থাকার আরজি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। প্রতি মুহূর্তের উপর নজর রাখছে বৃহন্মুম্বই পুরসভা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আগামী কাল বিশেষ বৈঠক ডেকেছে বিএমসি।
গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত মুম্বই, থানে, পালঘর। গত ৪৮ ঘণ্টায় শুধুমাত্র মুম্বই শহরে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মুম্বইয়ের পাশাপাশি বিপর্যন্ত পুনেও। সরকারি সূত্রে খবর, গত দু’দিনে সেখানে কমপক্ষে ২২টি অঞ্চলে ভূমিধস হয়েছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে ভোর ঘাট অঞ্চলে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। মধ্য রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক স্বপ্নীল নীলা বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল থেকেই বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমেছে। এরকম থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন দ্রুত মেরামত করতে পারব। আজ রাতের মধ্যে তিনটির মধ্যে অন্তত একটি লাইন চালু করার চেষ্টা করব।’