


ডালাস, ১৪ জুলাই: ফ্রান্সকে ২-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছল স্পেন। আজ, মঙ্গলবার রাতে ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম সেমি-ফাইনালের ম্যাচে মুখোমুখি হয় ফ্রান্স ও স্পেন। এদিন ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ১২টার সময় ডালাস স্টেডিয়ামে শুরু হয় খেলা। ম্যাচ শুরু হতেই আক্রমণ শুরু করে দুই পক্ষই। ৯ মিনিটে বক্সের কিছুটা বাইরে ফ্রি-কিক পায় স্পেন। শট করেন ১৯ নম্বর জার্সির ইয়ামাল। কিন্তু লাভ হয়নি। ১৯ মিনিটে ফ্রান্সের ডিফেন্ডার লুকাস ডিগনে বক্সের মধ্যে ইয়ামালকে চার্জ করায় পেনাল্টি পায় স্পেন। শট করেন ২১ নম্বর জার্সির মিকেল। বল জালে জড়িয়ে যায়। ১-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। ৩৫ মিনিটে বক্সের কিছুটা বাইরে থেকেই শট করেন ফ্রান্সের ১২ নম্বর জার্সির বারকোলা। কিন্তু তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৩৭ মিনিটে আক্রমণ করে স্পেন। শট সাইড বারের কিছুটা পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ৪১ মিনিটে বল নিয়ে একাই বক্সের দিকে এগিয়ে যান এমবাপে। কিছুটা ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে আসেন স্পেনের গোলরক্ষক সিমোনে। এমবাপে শট করার সুযোগ পাওয়ার আগেই তিনি সেই সম্ভাবনা সমূলেই বিনষ্ট করে দেন। প্রথম হাফে ৬ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে দুই দলই গোলের মুখ খুলতে পারেননি। প্রথমার্ধ্ব শেষে ৫৬ শতাংশ বল পজেশন ছিল স্পেনের দখলে।
সেকেন্ড হাফ শুরু হতেই আক্রমণ শুরু করে স্পেন। দ্বিতীয় গোলের চেষ্টায় ৫১ মিনিটে বক্সের কিছুটা বাইরে থেকেই শট করেন মিকেল। কিন্তু তা সাইড বারের কিছুটা পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ৫৮ মিনিটে দুরন্ত গোল করেন স্পেনের ১২ নম্বর জার্সির পেদ্রো পরো। ২-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। ৬০ মিনিটে ফের স্পেনের ইয়ামাল গোল করেন। কিন্তু লাইন্সম্যান পতাকা তুলে অফসাইড জানানোয় সেই গোল বাতিল হয়। ৬৬ মিনিটে শট করেন এমবাপে। স্পেনের ডিফেন্ডার তা প্রতিহত করেন। গোলের মুখ খোলার মরিয়া চেষ্টা করতে থাকে ফ্রান্স। তবে স্প্যানিশ ডিফেন্স ভেঙে গোলের মুখ খুলতে বারবারই ব্যর্থ হয় এমবাপেরা। ৮১ মিনিটে ফের সু্যোগ তৈরি হয়। কিন্তু এবারও স্পেনের কিপার সিমোনে তা প্রতিহত করেন। ৮৭ মিনিটে বক্সের অদূরেই ফ্রি-কিক পায় ফ্রান্স। শট করেন এমবাপে। কিন্তু বল ক্রস বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধ্বে ৭ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। এই সময়েও কোনও দলই গোল করেনি। শেষে ২-০ গোলের ব্যবধানে ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে যায় স্পেন।