


নয়াদিল্লি: বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রিকেট মহল চলছে জল্পনা। ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপের স্কোয়াডে দুই মহাতারকার থাকার সম্ভাবনা কতটা, তা নিয়ে চর্চায় উত্তাল ক্রিকেটপ্রেমীরা। টিম ইন্ডিয়ার প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর অবশ্য এখনই এই বিষয়ে কোনও ইঙ্গিত দিতে নারাজ। কোটলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট ও সিরিজ জেতার পর তিনি বলেছেন, ‘৫০ ওভারের বিশ্বকাপের এখনও দু’বছরের বেশি বাকি। এখন বর্তমানে থাকা জরুরি। তবে ওরা দু’জনই যোগ্য ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়ায় ওদের অভিজ্ঞতা কাজে আসবে। আশা করছি, ওরা সাফল্য পাবে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হল দলগতভাবে সফল হওয়া।’ উল্লেখ্য, বুধবারই ডনের দেশে রওনা হচ্ছে ভারত। সিরিজের প্রথম ওডিআই রবিবার।
বুধবারই ছিল গম্ভীরের জন্মদিন। উপহার হিসেবে টেস্ট জয় পেলেন তিনি। কোচ অবশ্য প্রশংসায় ভরিয়ে দিচ্ছেন ক্যাপ্টেন শুভমান গিলকে। এক প্রশ্নের উত্তরে গম্ভীর বলেন, ‘ওকে টেস্ট ক্যাপ্টেন্সি বা একদিনের নেতৃত্ব কেউ পাইয়ে দেয়নি। এগুলো ওর প্রাপ্যই। প্রচণ্ড পরিশ্রমী। ক্যাপ্টেন হিসেবে ইংল্যান্ডে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা দেওয়া হয়ে গিয়েছে। শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে সিরিজে পাঁচ টেস্ট খেলা মোটেই সহজ নয়।’
কোটলার উইকেট অবশ্য একেবারেই পছন্দ হয়নি গম্ভীরের। কোচ সাফ বলেছেন, ‘এর থেকে ভালো উইকেট তৈরি করাই যায়। যতই পঞ্চম দিন টেস্টের ফয়সালা হোক না কেন, পেসারদের সহায়তা থাকা দরকার পিচে। খোঁচা যেন স্লিপ পর্যন্ত পৌঁছয়। ঘূর্ণি উইকেট না হলেও চলবে, অন্তত বাউন্স থাক। টেস্ট ক্রিকেটকে বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থেই ভালো উইকেটে খেলা দরকার।’
প্রাক্তন টেস্ট অধিনায়ক কৃষ্ণমাচারী শ্রীকান্তকে একহাত নিয়েছেন গম্ভীর। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে হর্ষিত রানার দলে থাকার নেপথ্যে কোচের ‘ইয়েসম্যান’ হওয়াই কারণ বলে অভিযোগ করেন শ্রীকান্ত। এই প্রসঙ্গে গম্ভীরের মন্তব্য, ‘নিজের ইউটিউব চ্যানেলের প্রচারের জন্য একটা ২৩ বছর বয়সিকে টার্গেট করা লজ্জাজনক। হর্ষিতের বাবা কিন্তু নির্বাচকমণ্ডলীর প্রাক্তন চেয়ারম্যান বা প্রাক্তন ক্রিকেটার নন। উনি প্রবাসী ভারতীয়ও নন। হর্ষিত যেটুকু খেলেছে, নিজের যোগ্যতাতেই খেলেছে। কোনও ক্রিকেটারের দিকে আঙুল তোলা একেবারেই উচিত নয়।’ ক্ষুব্ধ কোচ আরও বলেন, ‘এরপর তো যে কেউ যার-তার সম্পর্কে উল্টোপাল্টা কথা বলতে পারে। তারপর সোশ্যাল মিডিয়া সেটায় মশলা মাখিয়ে পরিবেশন করবে। এমন চললে, নিজের ছেলেকেও কেউ আক্রমণের লক্ষ্য হিসেবে বেছে নিতে পারে। এটা ভুললে চলবে না।’