


লন্ডন: এজবাস্টন টেস্টে তখন চা বিরতি। শুভমান গিলের দ্বিশতরানের পর টগবগিয়ে ফুটছে টিম ইন্ডিয়া। সম্প্রচারকারী টিভি চ্যানেলে সুনীল গাভাসকরের মন্তব্য, ‘অসাধারণ। কোনও বিশেষণ যথেষ্ট নয় গিলের জন্য। আশা করি, পরের ডাবল সেঞ্চুরি দেখার জন্য আর ২৩ বছর অপেক্ষা করতে হবে না।’ খুশিতে ডগমগ সানি। শেষ ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে দ্বিশতরান করেছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। দীর্ঘ ব্যবধান কাটিয়ে বিলেতের মাঠে এল ডাবল সেঞ্চুরি। মাত্র ৩১ রানের জন্য ত্রিশতরান মিস করলেন গিল। চায়ের কাপ ও ঠোঁটের ফারাক রয়েই গেল। আপশোস গোটা শিবিরে। সানি বললেন, ‘স্কোয়াডে প্রতিভার অভাব নেই। যশস্বী জয়সওয়ালের কথা ধরুন। দেশের মাটিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অসাধারণ ডাবল সেঞ্চুরি করেছিল। বিলেতেও একইরকম ইনিংস আশা করাই যায়।’
দ্বিতীয় টেস্টে গিল যেন নিজেকেও ছাপিয়ে গেলেন। অধিনায়কত্বের চাপ সামলে দুরন্ত ব্যাটিং। লাল বলের ক্রিকেটে জাতীয় দলের ব্যাটন হাতে গিল যেন আরও পরিণত। কোনও ঝুঁকির রাস্তায় না হেঁটে কার্যত ব্যাট হাতে শাসন করলেন ইংরেজ বোলারদের। গিলের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে প্রাক্তনরা মুগ্ধ। প্রাক্তন ক্রিকেটার যুবরাজ সিংয়ের মন্তব্য, ‘টুপি খুলে সম্মান জানাতে চাই। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ক্যাপ্টেন।’ ইরফান পাঠানের বক্তব্য, ‘অনবদ্য পারফরম্যান্স। প্রতিদিনই নিজেকে ছাপিয়ে যাচ্ছে গিল।’ ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার নাসের হুসেন বলেছেন, ‘অত্যন্ত পরিণত ইনিংস। অগাধ আত্মবিশ্বাস দেখাচ্ছে ছেলেটা। গিল কিন্তু লম্বা রেসের ঘোড়া।’ প্রাক্তন ক্রিকেটার ডেভিড লয়েডের মন্তব্য, ‘গিলকে দেখে মহম্মদ আজহারউদ্দিনের কথা ভীষণই মনে পড়ছে।’