


মুল্লানপুর: একটা সময় মনে করা হয়েছিল, টি-২০ ফরম্যাটে তাঁরাই হবেন ভারতীয় দলের দুই স্তম্ভ। কিন্তু টি-২০ বিশ্বকাপে দু’জনেই ছিলেন ব্রাত্য। শুভমান গিলের বাদ পড়া ছিল নিঃসন্দেহে বড় চমক। বিবেচিত হয়নি শ্রেয়স আয়ারের নাম। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে টিম ইন্ডিয়া চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুবাদে দুই তারকার বাদ পড়া সেভাবে গুরুত্ব পায়নি ক্রিকেট মহলে। তবে গিল এবং শ্রেয়স— দু’জনেই মরিয়া বঞ্চনার জবাব দিতে। তার জন্য আইপিএলই সেরা মঞ্চ। ফলে মঙ্গলবার মুল্লানপুরে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব বনাম গুজরাত টাইটান্স ম্যাচে তাঁরাই আকর্ষণের কেন্দ্রে।
আজ পর্যন্ত ট্রফির স্বাদ পায়নি পাঞ্জাব। তবে তাদের গতবারের পারফরম্যান্স খুবই ইতিবাচক। অল্পের জন্য ট্রফি হাতছাড়া হয়েছিল। আসলে শ্রেয়স অধিনায়ক ও পন্টিং কোচ হওয়ার পর দলের চিন্তাভাবনাই বদলে গিয়েছে। পাঞ্জাবের দুই ওপেনার প্রিয়াংশ আর্য এবং প্রভমসিমরণ সিং ঝড়ের গতিতে রান তোলেন। পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারকেই মূলত টার্গেট করেন তাঁরা। কুপার কনোলিকে খেলানো হতে পারে তিন নম্বরে। চারে নামবেন ক্যাপ্টেন শ্রেয়স আয়ার। মিডল আর্ডারে নেহাল ওয়াধেরা, শশাঙ্ক সিং ও মার্কাস স্টোইনিস পাঞ্জাবের বড় ভরসা। বোলিংয়ে মার্কো জানসেনের সঙ্গী হবেন বাঁ হাতি পেসার অর্শদীপ সিং। তৃতীয় পেসার হিসেবে খেলতে পারেন দারসুইস। স্পিনার হরপ্রীত ব্রার গতবার দুর্দান্ত পরফর্ম করেছিলেন। সেই কারণেই তাঁর উপর ভরসা রাখতে পারেন কোচ পন্টিং।
গুজরাতের ব্যাটিংও বেশ আঁটসাঁট। শুরু করবেন গিল ও সুদর্শন। ওপেনার হিসেবে তাঁরা ভীষণই সফল। জস বাটলার নামবেন তিনে। তবে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে ফর্ম হাতড়াচ্ছেন ইংরেজ ব্যাটার। ওয়াশিংটন সুন্দরকে উপরের দিকে ব্যাট করানোর পরিকল্পনা রয়েছে গুজরাত টিম ম্যানেজমেন্টের। আসলে মিডল অর্ডারে রাহুল তেওয়াটিয়া, শাহরুখ খানের মতো অনামী ক্রিকেটারদের উপর ভরসা রাখা বড় বালাই। গুজরাতের বোলিং খুবই শক্তিশালী। পেস আক্রমণে কাগিসো রাবাডার সঙ্গে রয়েছেন মহম্মদ সিরাজ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। স্পিন অলরাউন্ডার রশিদ খান একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন।