


লিডস: অধিনায়ক হিসেবে প্রথম সিরিজেই অ্যাসিড টেস্ট শুভমান গিলের। হোম সিরিজে ইংল্যান্ড কতটা ভয়ঙ্কর তা আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। তবে গিল ‘নতুন ভারতের’ নেতা। চাপে মুষড়ে পড়ার পাত্র নন। বরং তারুণ্যের তেজে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করে ফেলেছেন। ম্যাচের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে টিম ইন্ডিয়ার তরুণ অধিনায়কের হুঙ্কার, ‘অনেকেই বলছে, আমরা নাকি অনভিজ্ঞ দল। কিন্ত এর সুবিধাও রয়েছে। স্কোয়াডের বেশিরভাগ ক্রিকেটারই প্রথমবার ইংল্যান্ডে খেলবে। তাই তাদের উপর প্রত্যাশার চাপ নেই। বরং ভয়ডরহীন ক্রিকেট মেলে ধরে সিরিজ স্মরণীয় করতে মরিয়া সবাই।’ একটু থেমে তাঁর সংযোজন, ‘গত ৫-১০ বছরে সিনিয়র ক্রিকেটাররা আমাদের মধ্যে এই বিশ্বাস জাগিয়েছে যে, বিশ্বের যেকোনও জায়গায় সিরিজ জেতার ক্ষমতা রয়েছে ভারতীয় দলের। তাদের দেখানো পথে হেঁটে অসাধারণ কিছু করতে মুখিয়ে রয়েছি।’
সাংবাদিক সম্মেলনে গিলের কথাতেই স্পষ্ট, সিরিজ শুরুর আগে আত্মবিশ্বাসে ফুটছে ভারতীয় শিবির। তবে শুধুমাত্র ‘জোস’ দিয়ে তো আর টেস্ট সিরিজ জেতা যায় না। ইংল্যান্ডের মাটিতে ইংরেজদের দর্পচূর্ণ করতে প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা এবং প্রয়োগ দক্ষতারও। এই প্রসঙ্গে গিলের জবাব, ‘আইপিএল চলাকালীন বিরাট ও রোহিত ভাইয়ের সঙ্গে ইংল্যান্ড সফর নিয়ে কথা বলেছি। তাঁদের মূল্যবান পরামর্শ কাজে লাগাতে চাই। কোচ গৌতম গম্ভীরও আমাদের যথাসম্ভব গাইড করছেন। গত বছর ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দারুণ উপভোগ করেছিলাম টেস্ট সিরিজ। সেই আত্মবিশ্বাস এখানেও কাজে লাগাতে চাই।’ ভারতের ব্যাটিং অর্ডার কী হতে চলেছে, তারও ইঙ্গিত দিয়েছেন অধিনায়ক। তাঁর কথায়, ‘বিরাট ভাইয়ের অবসরের পরই ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে কোচের সঙ্গে কথা হয়েছিল। গোতি ভাই আমায় চার নম্বরে ব্যাট করার কথা বলেছিলেন। আমিও সেটাই চাই। তবে প্রথম একাদশ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আসলে ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মের এই পরিবেশ অন্যান্য বারের থেকে কিছুটা আলাদা লাগছে। তাই চূড়ান্ত দল বাছাইয়ের আগে আরও একবার পিচ পরখ করে নিতে চাইছি।’
ক্যাপ্টেন হিসেবে আপনার দর্শন কি? প্রশ্নের জবাবে গিল বলেন, ‘চাপমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলাই আমার প্রাথমিক লক্ষ্য। প্রত্যেককে তাদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে চাই। পাশাপাশি প্রতিশ্রুতিসম্পন্ন ক্রিকেটারদের পাশে থাকাটাও জরুরি।’