


হিন্দুস্থান আর্টস অ্যান্ড মিউজিক সোসাইটি, ত্রিধারা সম্মিলনী, বেহালা বালানন্দ ব্রহ্মচারী হসপিটাল ও রিসার্চ সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত হল তিনদিনের উচ্চাঙ্গসংগীতের আসর ‘ভারত সংস্কৃতি যাত্রা’।
সম্প্রতি নজরুল মঞ্চে ভারতীয় সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে সামনে রেখে সংগীত ও নৃত্যজগতের দিকপালরা পরিবেশন করলেন তাঁদের শিল্পকলা। প্রথম দিন সূচনা পর্বে মঞ্চে ছিল চাঁদের হাট। উপস্থিত ছিলেন পদ্মভূষণ পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া, পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য, পণ্ডিত দেবাশিস ভট্টাচার্য, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, পণ্ডিত প্রসেনজিৎ পোদ্দার, সঞ্চিতা ভট্টাচার্য, গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক স্বামী সুপর্ণানন্দ মহারাজ, দীপক সরকার প্রমুখ।
প্রথম দিনের পরিবেশনায় ছিল সুলগ্না ভট্টাচার্যের ওড়িশি নৃত্য। পণ্ডিত দীপক মহারাজ ও মধুমিতা রায়ের কত্থক নৃত্য। পণ্ডিত অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় ও উস্তাদ তৌফিক কুরেশি, শিখর নাদ কুরেশির যুগলবন্দি। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়ার বাঁশির সুর। দ্বিতীয় দিন ছিল পদ্মশ্রী শ্রী রামলি ইব্রাহিম, গুরু গজেন্দ্র পান্ডা ও মীরা দাসের ওড়িশি নৃত্য। পণ্ডিত কৈবল্য কুমার গৌরব ও পণ্ডিত প্রবীণ গডখিন্ডির ভোকাল ও বাঁশির যুগলবন্দি। শেষদিন ছিল সারারাতের ধ্রুপদী নৃত্য ও শাস্ত্রীয় সংগীতের বিশেষ অনুষ্ঠান। এদিন ভরতনাট্যম, কত্থক ও ওড়িশি নৃত্য পরিবেশন করেন পদ্মশ্রী প্রতিভা প্রহ্লাদ, গুরু বিদ্ধালাল ও ডঃ সঞ্চিতা ভট্টাচার্য। পণ্ডিত দেবাশিস ভট্টাচার্য ও রাঘব চট্টোপাধ্যায় গিটার ভোকালের যুগলবন্দির সঙ্গে তবলায় সঙ্গত করেন পণ্ডিত তন্ময় বোস। পণ্ডিত পূর্বায়ণ চ্যাটার্জি ও পণ্ডিত রাজেশ বৈদ্যর সিতার - ইলেকট্রিক বীণার সঙ্গে তবলায় সঙ্গত দেন পণ্ডিত বিক্রম ঘোষ। পদ্মশ্রী পণ্ডিত অনুপ জালোটার ভজনের সঙ্গে রনু মজুমদারের বাঁশির যুগলবন্দি ছিল অন্যতম আকর্ষণ। তবলা, মৃদঙ্গমের অনন্য পরিবেশনায় পণ্ডিত কুমার বোস, অনন্ত আর কৃষ্ণণ ও গিরিধর উদুপা।