


ভ্যাঙ্কুভার: আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের খেলা নিয়ে টালবাহানা অব্যাহত। আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ আক্রমণের প্রতিবাদে আগেই বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছিল এশিয়ার দেশটি। পরে অবশ্য সিদ্ধান্ত বদলে আমেরিকার পরিবর্তে মেক্সিকোতে ম্যাচ খেলার ব্যাপারে আগ্রহ দেখায় ইরান। তবে ফিফার তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, সূচি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে হবে তাদের। এরপর থেকেই টানাপোড়েন চলছে। তারইমধ্যে বৃহস্পতিবার কানাডায় আয়োজিত ফিফা কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ইরান কর্তাদের। সেই মতো বুধবার ইরান ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি মেহদি তাজ সহ তিন সদস্যের দলও উড়ে আসে। তবে বিমানবন্দরে তাদেরকে আটকানো হয়। কানাডার ইমিগ্রেশন কর্তাদের ‘অপমানজনক আচরণের’ জেরে দেশে ফেরেন তারা। ভেস্তে যায় যাবতীয় বৈঠক। তা সত্ত্বেও বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণের ব্যাপারটি সুনিশ্চিত করেছেন ফিফা সভাপতি।
এদিন ফিফা কংগ্রেসের শুরুতেই এই প্রসঙ্গে জিয়ান্নি ইনফানতিনো বলেন, ‘ইরান ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেবে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রেই খেলবে। আমাদের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে চলতে হবে। আর সেই দায়িত্ব আমার।’ সূত্রের খরব, ২০ মে ফিফার সদর দপ্তরে ইরান কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ফিফা সভাপতি। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, সেদিনই পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার ফিফা কংগ্রেস চলাকালীন মঞ্চেই অপরিস্থিতির মুখে পড়তে হল ফিফা সভাপতিকে। ইজরায়েল কর্তা বাসিম শেখ সুলেমানের সঙ্গে হাত মেলানোর পাশাপাশি সঙ্গে ছবি তুলতে রাজি হননি প্যালেস্তাইন ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি জিব্রিল রাজুব। ইনফানতিনোর বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও কোনওরকম সাড়া দেননি প্যালেস্তাইন কর্তা। এরপরই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতে তিনি বলেন, ‘গোটা দেশ খুবই কষ্টের মধ্যে রয়েছে। আর যাদের জন্য আজ আমাদের এই অবস্থা, তাদের সঙ্গে কোনওরকম বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ নয়।’