


লিডস: বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার যোগ্য উত্তরসূরি কে? চোখ বন্ধ করে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা শুভমান গিল ও যশস্বী জয়সওয়ালের নাম নেবেন। আস্থার মর্যাদাও দিয়ে চলেছেন দুই তরুণ তুর্কি। লিডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে দু’জনেই ঝকঝকে শতরান হাঁকিয়ে ভারতকে শক্ত ভিতে দাঁড় করান। তৃতীয় উইকেটে এই জুটি যোগ করে ১২৯ রান। ভারতীয় বাঁহাতি ওপেনার ১০১ রান করেন। আর গিলের সংগ্রহ ১৪৭। অধিনায়ককে প্রশংসায় ভরিয়ে যশস্বী বলেন, ‘গিলের সঙ্গে ব্যাটিং সর্বদাই উপভোগ করি। আমাদের মধ্যে বোঝাপোড়া খুবই ভালো। প্রথম দিন ব্যাটিংয়ের সময় নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করি, বেশি দূরের কথা ভাবব না। সেশন বাই সেশন ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যাব। সেই লক্ষ্য সফল।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়ার পর ইংল্যান্ডের মাটিতেও সেঞ্চুরি হাঁকালেন যশস্বী। কোন সেঞ্চুরিকে এগিয়ে রাখবেন? একটু হেসে তরুণ তুর্কির জবাব, ‘কেরিয়ারের সবকটা সেঞ্চুরিই স্পেশাল। তবে মাইলস্টোনের কথা ভেবে খেলি না। ক্রিজে ব্যাটিং উপভোগ করাই লক্ষ্য থাকে। ইংল্যান্ডের মাটিতে সেঞ্চুরি করতে পেরে দারুণ অনুভূতি হচ্ছে।’ পাশাপাশি নিজের ইনিংসের বিশ্লেষণে তাঁর মন্তব্য, ‘পরিকল্পনা ছিল, অযথা ঝুঁকি নিয়ে উইকেট ছুড়ে আসব না। বল দেখে খেলব। আর লুজ বল পেলেই বাউন্ডারি মারব।’
সদ্য আইপিএলে খেলেছেন। মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে লাল বলের ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে ওঠা কতটা কঠিন? একটু ভেবে যশস্বী বলেন, ‘ক্রিকেটে চ্যালেঞ্জ তো থাকবেই। তবে ভেবে ভয় পেলে হবে না। নিজের সক্ষমতার উপর ভরসা রাখতে হবে। ইংল্যান্ডে পৌঁছে প্রস্তুতিতে জোর দিয়েছি। ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচের পাশাপাশি নিজেদের মধ্যেও ম্যাচ সিচুয়েশন প্র্যাকটিস করেছি। ইংল্যান্ডের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে যা খুবই সহায়ক হয়েছে। শুরুটা ভালো হওয়ার পর ইনিংস কীভাবে দীর্ঘায়িত করব, সেই বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছি। কোচের পরামর্শও দারুণ কাজে লেগেছে।’