


হুবলি: ইতিহাস লিখল জম্মু ও কাশ্মীর। প্রথমবারের জন্য রনজি চ্যাম্পিয়ন হল তারা। প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবাদে পরশ ডোগরার দল বশ মানাল তারকাখচিত কর্ণাটককে। উল্লেখ্য, জম্মু ও কাশ্মীরের ৫৮৪ রানের জবাবে কর্ণাটক থামে ২৯৩ রানে। তারা পায় ২৯১ রানের লিড। দ্বিতীয় ইনিংসে তা বেড়ে দাঁড়ায় পাহাড়প্রমাণ ৬৩৩ রানে। জম্মু ও কাশ্মীর ৪ উইকেটে ৩৪২ তোলার পর দু’দলই ড্রয়ের সিদ্ধান্তে একমত হয়।
এদিন দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৮৬ নিয়ে শুরু করে জম্মু ও কাশ্মীর। কর্ণাটক আর কোনও উইকেট পায়নি। কামরান ইকবাল অপরাজিত থাকেন ১৬০ রানে। সাহিল লোটরা অপরাজিত থাকেন ১০১ রানে। অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেটে দু’জনে যোগ করেন ১৯৭ রান। সেটাই লিডকে ছশোর ওপারে নিয়ে যায়।
প্রথমবার ফাইনালে উঠেই জম্মু ও কাশ্মীরের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নেপথ্যে কড়া শৃঙ্খলা ও অনুশাসন। এখন বোর্ড প্রেসিডেন্ট মিঠুন মানহাস কিছুদিন আগেও জড়িত ছিলেন জম্মু ও কাশ্মীর ক্রিকেট সংস্থার সঙ্গে। তিনিই কোচ হিসেবে নিয়ে আসেন অজয় শর্মাকে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ক্রিকেটাররা তাই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন মানহাসকে নিয়েই। উল্লেখ্য, ১৯৫৯-৬০ মরশুমে প্রথমবার রনজি ট্রফিতে খেলে জম্মু ও কাশ্মীর। তবে প্রথম ম্যাচ জিততে লেগে যায় আরও ৪৪ বছর। ১৯৮২-৮৩ মরশুমে সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে আসে প্রথম জয়। নক-আউট পর্বে তারা প্রথমবার ওঠে ২০১৩-১৪ মরশুমে। এবার ফাইনালে উঠেই তারা হারাল শক্তিশালী কর্ণাটককে।