


ভোপাল: সংঘে ভিড় বাড়ছে। কিন্তু ভালো মানুষের সংখ্যা কমছে। মধ্যপ্রদেশের নগরোন্নয়নমন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয়র এই মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ভোপালে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস এখন বিশাল সংগঠন হয়ে উঠেছে। কিন্তু এখন অনেক সুযোগসন্ধানী নিজেদের সংঘের সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করছেন। কৈলাসের দাবি, বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই বহু সরকারি আধিকারিক সংঘ-সমর্থক হয়ে উঠেছেন। তাঁদের অনেকেই পুরানো পারিবারিক সম্পর্ক দেখিয়ে সংঘের সঙ্গে নিজেদের সংযোগের কথা বলছেন। কেউ কেউ দাবি করছেন, তাঁদের বাবা সংঘের বৈঠকে যেতেন বা সংঘের সভাপতি ছিলেন। এরপরই তিনি বলেন, ‘সংঘে লোকের অভাব নেই। কিন্তু ভালো মানুষের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। আগে সত্যিই ভালো মানুষ ছিলেন। সংগঠন বড়ো হচ্ছে, সংঘের মতাদর্শ ছড়াচ্ছে। কিন্তু ভালো মানুষ না থাকলে সেই মতাদর্শের মূল্য কী? এটা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।’
বিজেপি এই নেতার বক্তব্যকে হাতিয়ার করে সরব হয়েছে কংগ্রেস। তাদের দাবি, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কৈলাসের বক্তব্য অনেকটার সত্যি। কংগ্রেস নেতা কে কে মিশ্রর কটাক্ষ, ‘অনেক সরকারি আধিকারিক এখন ক্ষমতার রং বুঝে নিজেদের অবস্থান বদলাতে ওস্তাদ হয়ে উঠেছেন।’ এদিকে, সংঘ সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে কর্ণাটকের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়্গে এবং কংগ্রেস নেতা মহম্মদ নালপাড়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় গ্রহণ করেছে বেঙ্গালুরুর এক আদালত। আগামী ২১ জুলাই প্রিয়াঙ্ক ও মহম্মদ নালপাড়কে হাজিরার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। তবে একই মামলায় অন্য অভিযুক্ত কর্ণাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দীনেশ রাওয়ের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ করেনি আদালত।