


টেক্সাস, ১৭ জুন: ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হল ইংল্যান্ড। আজ, বুধবার রাতে ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচে মুখোমুখি হয় গ্রুপ এল-এর টিম ইংল্যান্ড এবং ক্রোয়েশিয়া। ভারতীয় সময় রাত ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হয় খেলা। ডালাস স্টেডিয়ামে হওয়া ম্যাচের প্রথমার্ধ্বের গোড়াতেই ক্রোয়েশিয়ার ১০ নম্বর জার্সিধারী লুকা মডরিচ চার্জ করে বসেন ইংল্যান্ডের এক প্লেয়ারকে। স্বাভাবিকভাবেই পেনাল্টি পায় ইংরেজরা। পেনাল্টি মারেন ইংল্যান্ডের স্টার প্লেয়ার হ্যারি কেন। দুর্দান্ত গোলকিপিং করে তা প্রতিহত করেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক ডোমিনিক। কিন্তু শট মারার আগেই ক্রোয়েশিয়ার কিপার কিছুটা এগিয়ে আসায় ফের একটি পেনাল্টির সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। এবারের সুযোগ আর মিস করেননি ৯ নম্বর জার্সিধারী হ্যারি কেন। দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে যায়। ১-০ গোলের ব্যবধানে ম্যাচে এগিয়ে যায় ইংরেজরা। এরপর ৩৬ মিনিটে বক্সের কিছুটা বাইরে থেকে দুর্দান্ত শট করেন ক্রোয়েশিয়ার ১৬ নম্বর জার্সিধারী মার্টিন। গোল হয়, ম্যাচে সমতা ফেরে। স্কোর ১-১ হয়। প্রথমার্ধ্বের ৪২ মিনিটে ফের সুযোগ পান হ্যারি কেন। কর্নার থেকে আসা বলে হেড করে ফের গোল করেন তিনি। ইংল্যান্ড ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। প্রথম হাফে অতিরিক্ত ৫ মিনিট সময় দেওয়া হয়। সেই সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে দুর্দান্ত গোল করেন ক্রোয়েশিয়ার স্ট্রাইকার পিটার মুসা। স্কোর হয় ২-২। প্রথম হাফ শেষে দুই দলই ৫০ শতাংশ বল পজেশন রেখেছিল।
দ্বিতীয় হাফ শুরু হতেই আক্রমণ শুরু করে হ্যারি কেনের দল। ৪৬ মিনিটে দুর্দান্ত গোল করেন ১০ নম্বর জার্সিধারী ইংরেজ প্লেয়ার জুড বেলিংহ্যাম। ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় টিম ইংল্যান্ড। ৫১ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দারুণ শট করেন ইংল্যান্ডের ৪ নম্বর জার্সিধারী রাইস। কিন্তু তা রুখে দেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক ডোমিনিক। ৫৫ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে হেড করে ফের গোলের মুখ খোলার চেষ্টা করেন ইংল্যান্ডের ফুটবলরা। ফের তা প্রতিহত করেন ক্রোয়েশিয়ার কিপার। ৫৬ মিনিটে আবার শট করেন হ্যারি কেন। কোনওমতে তা আটকান ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক। ইংল্যান্ডের মুহুর্মুহুর আক্রমণে কিছুটা দিশেহারা হয়ে যায় ক্রোয়েশিয়ান ডিফেন্স। এরপর ৭৫ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার ২৪ নম্বর জার্সির মার্কো শট করেন। কিন্তু তা রুখে দেন ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডন। ম্যাচের ৮৫ মিনিটে কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দেন ইংল্যান্ডের র্যাশফোর্ড। তাঁর গোলে ৪-২ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংরেজরা। দ্বিতীয় হাফে ৬ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। এই সময়ও একইভাবে আক্রমণ জারি রাখেন হ্যারিকেনরা। শেষে ৪-২ গোলের ব্যবধানে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে জয়ী হয় ইংল্যান্ড।