


মুম্বই: আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই আইপিএল জ্বরে পুড়তে চলেছে আসমুদ্রহিমাচল। আসন্ন মরশুমের জন্য বুধবার নতুন জার্সি উন্মোচন করল কলকাতা নাইট রাইডার্স। সোনালি-বেগুনী জার্সিতে ‘লেগাসি’র লাইন নতুনভাবে জুড়েছে। গত ১৮ বছরে নাইটদের ইতিহাসে যাবতীয় সব স্মরণীয় মুহূর্তের প্রতীক হিসেবে এক-একটি লাইন। সেই সঙ্গে তিনবারের চ্যাম্পিয়নদের বুকে জ্বলজ্বল করছে তিনটি স্টারও।
এবারের ক্রোড়পতি লিগে অবশ্য কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ফেভারিট মানতে নারাজ অনিল কুম্বলে। প্রাক্তন তারকার কথায়, ‘শ্রেয়স আয়ারের নেতৃত্বে ২০২৪ সালে আইপিএল জিতেছিল কেকেআর। কাপ জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিল ফিল সল্টও। কিন্তু পরের নিলামেই এই দু’জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়, যা একেবারেই ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। খেলোয়াড় ধরে রাখায় ধারাবাহিকতা নেই কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজির। আইপিএল জয়ী অধিনায়ককে ছেড়ে দেওয়া সত্যিই ব্যর্থতা।’
গত মরশুমে কেকেআরের পারফরম্যান্স একেবারেই প্রত্যাশিত ছিল না। অজিঙ্কা রাহানের নেতৃত্বে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা ৮ নম্বরে টুর্নামেন্ট শেষ করে। অভিজ্ঞ রাহানের প্রসঙ্গে কুম্বলের সংযোজন, ‘অস্বীকারের জায়গা নেই, রাহানের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটার যে কোনও দলের সম্পদ। ও ঘরোয়া ক্রিকেটে মুম্বই এবং আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসকে নেতৃত্ব দিয়েছে। কিন্তু ও নেতা হিসেবে কখনও আইপিএল ট্রফি জেতেনি। আইপিএল জয়ী অধিনায়কদের আত্মবিশ্বাসটাই আলাদা হয়। সেটা শ্রেয়স পাঞ্জাব কিংসে গিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। প্রীতি জিন্টার ফ্র্যাঞ্চাইজি গত ১০ বছরে একটাও ফাইনাল খেলেনি। আর শ্রেয়স প্রথম বছরেই তাদের খেতাবি লড়াইয়ে নিয়ে গিয়েছিল। নতুন পরিবেশ, নতুন ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ নয়। ও করে দেখিয়েছিল। কিছু ক্রিকেটার আছে যারা বড় মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করতে মুখিয়ে থাকে। শ্রেয়স তাদেরই একজন। নেতা হিসেবে ও অসাধারণ। তবুও ওকে আন্ডাররেটেড বলা হয়। পাশাপাশি গত মরশুমে ফিল সল্ট রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে আইপিএল জিতেছে।’
এদিকে, চেতেশ্বর পূজারা আবার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ওপেনিং জুটি অভিষেক শর্মা ও ট্রাভিস হেডের। তিনি বলেন, ‘আইপিএলে বিধ্বংসী জুটি বললে আরসিবি’র ক্রিস গেইল ও বিরাট কোহলির কথা মাথায় আসে। কিন্তু অভিষেক-হেড আরও বিধ্বংসী। আমার মতে, আইপিএলের ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী জুটি তারা। এবার হায়দরাবাদের দল খুবই শক্তিশালী। কিন্তু ওদের অ্যাওয়ে রেকর্ড ভালো নয়।’