


বেঙ্গালুরু: সেন্টার অব এক্সেলেন্সের (সিওই) বিরুদ্ধে ক্রিকেটারদের ‘ইনজুরি ম্যানেজমেন্ট’ নিয়ে ওঠা অভিযোগকে উড়িয়ে দিলেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। সিওই’র প্রধান হিসাবে রবিবার তিনি সাফ জানান, ‘এটা শুধুই রিহ্যাব সেন্টার নয়। ক্রিকেটাররা যাতে উৎকর্ষ অর্জন করতে পারে, তারজন্য বৃহত্তর ভূমিকা আছে আমাদের। চোটের জন্য বা চোট সারিয়ে উঠতে না পারার জন্য তাই এই সেন্টারকে কোনোভাবেই দায়ী করা উচিত নয়।’
যশপ্রীত বুমরাহ, সাই সুদর্শনের চোট সারিয়ে উঠতে না পারা নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকমণ্ডলীর সঙ্গে সেন্টার অব এক্সেলেন্সের যোগাযোগের অভাবের অভিযোগও উঠছে। এটাও মানছেন না লক্ষ্মণ। তাঁর কথায়, ‘পুরুষ ও মহিলা দলের টিম ম্যানেজমেন্ট, মেডিসিন স্টাফ ও নির্বাচকমণ্ডলীর সঙ্গে আমাদের দুর্দান্ত সমন্বয় রয়েছে। নির্বাচকরা প্রথমে কোনো ক্রিকেটারের ফিটনেস স্ট্যাটাস রিপোর্ট চেয়ে পাঠান। আমরা এই মুহূর্তের স্ট্যাটাস সংগ্রহ করে তা পাঠাই নির্বাচকমণ্ডলীর চেয়ারপার্সনকে। পাশাপাশি এর কপি পাঠানো হয় প্রধান কোচ ও বোর্ডকে। প্রত্যাশার নিরিখে টাইমলাইন সেট করা হয়। কিন্তু মানুষের শরীর তো আর মেশিন নয়। তাই সবসময় প্রত্যাশামাফিক ফল মেলে না।’ উল্লেখ্য, এদিন এই ইস্যুতেই বোর্ড সচিব দেবজিৎ সইকিয়ার সঙ্গে বৈঠকে বসেন লক্ষ্ণণ। উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট মিঠুন মানহাস সহ অন্য কর্তারাও।
গত সেপ্টেম্বরে মনে করা হচ্ছিল যে, নির্বাচকমণ্ডলীর প্রধানের পদে বসতে চলেছেন তিনি। কিন্তু লক্ষ্ণণ অগ্রাধিকার দেন সেন্টার অব এক্সেলেন্সকে। বেঙ্গালুরু শহরের বাইরে গড়ে ওঠা সিওই’কে নিয়ে তাঁর মূল্যায়ন, ‘এটা বিশ্বমানের পরিকাঠামো। প্রচুর তরুণ ক্রিকেটারের উন্নতিতে অবদান রয়েছে এই সেন্টারের। ট্রফি জেতা কিন্তু নির্ভর করে সিস্টেম ও পদ্ধতি গড়ে তোলার উপরেই।’