


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গোলকিপারের ভূমিকায় জেসন কামিংস। হেড করলেন লিস্টন। বল জালে জড়াতেই শুরু সেলিব্রেশন। মজার মুহূর্ত ধরা পড়ল মোহন বাগান অনুশীলনে। রোটেশনে জেমি ম্যাকলারেন, পেত্রাতোসরাও বিশাল কাইথের জায়গা নিলেন। অনুশীলনের কোলাজে ফুরফুরে মেজাজ স্পষ্ট। ছন্দ বজায় থাকলে মুম্বইয়ের কপালে দুঃখ আছে। এই পর্বে মাটিতে স্ট্রেচ করে গোললাইন থেকে বল ফেরাতে দেখা গেল আলবার্তোকে। চোট থাকলে এমন মুভমেন্ট করা অসম্ভব। স্প্যানিশ ডিফেন্ডারের চোটমুক্তি থিঙ্কট্যাঙ্ককে স্বস্তি দিতে পারে। এদিকে, ম্যাচের আগে সাংবাদিক বৈঠকে লোবেরার সঙ্গে আপুইয়া এসেছিলেন। মুম্বইয়ে থাকাকালীন মিজো ফুটবলার দলের ইঞ্জিন ছিলেন। শিবির বদলের পর আরও অভিজ্ঞ তিনি। আপুইয়া বললেন, ‘কোচ যেমন দায়িত্ব দেবেন পালন করতে তৈরি। রক্ষণ, মাঝমাঠ, আক্রমণে টেক্কা দিতে হবে প্রতিপক্ষকে।’
গত ম্যাচে বেঙ্গালুরু আটকে দিয়েছে মোহন বাগানকে। মাঝমাঠে সেভাবে জায়গা দেননি সুরেশরা। এমনকী, লিস্টনরা বল ধরলেই সমানে তাড়া করছিলেন গার্ডেন সিটির ফুটবলাররা। জোনাল মার্কিং ও দু’টি স্তরে সাজানো রক্ষণ ভেদ করে জাল কাঁপানো সম্ভব হয়নি। তবে যুবভারতীর বড় মাঠ পাসিং ফুটবলের স্বর্গরাজ্য। উইং হাফরা বাড়তি জায়গা পাবেন। অর্থাৎ প্রতিপক্ষ রক্ষণকে স্ট্রেচ করা সুবিধাজনক। মুম্বইয়ের ডিফেন্সিভ থার্ডে ওয়াল খেলতে পারলে গোলমুখ খুলবেই। মোহন বাগান দ্রুত গোল পেয়ে গেলে অনেকটাই চাপমুক্ত হতে পারবেন ফুটবলাররা। এক্ষেত্রে কোচ লোবেরার ব্যাখ্যা, ‘মুম্বই ওজনদার। দলে অভিজ্ঞ ফুটবলার রয়েছে। ওদের সম্মান করি। তবে যে করেই হোক জিততে হবে।’