


সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: শুক্রবার মাথাভাঙা-২ ব্লকের রুইডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের রাঙামাটিতে ছেলেধরা সন্দেহে এক ব্যক্তিকে বেঁধে রেখে মারধরের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। বৃহস্পতিবার রাতে ওই ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক করেন। এদিন সকালে খবর দেওয়া হয় ঘোকসাডাঙা থানায়। যদিও অনেক সময় পরেও পুলিশ না আসায় কয়েকজন মিলে ওই ব্যক্তিকে একটি টোটোতে তুলে দেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সন্দেহজনক ওই ব্যক্তি সঠিকভাবে কিছুই বলতে পারছিলেন না। তাঁর কাছে বস্তা সহ পাউডার জাতীয় কিছু পাওয়া গিয়েছে। এতেই সন্দেহ আরও দৃঢ় হয়। যদিও পুলিশ জানিয়েছে, আমাদের ভিলেজ পুলিশ গিয়ে খবর নিয়েছে, ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরে মাথাভাঙা মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় ছেলেধরার গুজব ছড়িয়েছে। অচেনা কাউকে দেখলেই সন্দেহ করছেন গ্রামবাসীরা। রাঙামাটি চর এলাকায় ওই ব্যক্তি দু’দিন ধরে ঘোরাঘুরি করছিলেন। শিশুদের হাতে কখনো বিস্কুট আবার কখনো চকোলেট দিচ্ছিলেন তিনি। এনিয়ে সন্দেহ বেড়ে যায় স্থানীয়দের মধ্যে। বৃহস্পতিবার রাতে বাসিন্দারা ওই ব্যক্তিকে এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কথাবার্তা অসংলগ্ন হওয়ায় তাঁকে বেঁধে রাখা হয়। এমনকী স্থানীয় কয়েকজন মারধরও করেন। স্থানীয় বাসিন্দা হলেশ্বর বর্মন বলেন, দু’দিন ধরে ওই ব্যক্তি সন্দেহজনকভাবে এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিল। আটকে রেখে খবর দিলেও পুলিশ আসেনি। পরে একটি টোটোতে তুলে ওই ব্যক্তিকে ফালাকাটার দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘোকসাডাঙা থানার ওসি আসরাফ আলম বলেন, আটপুকুরি এলাকায় একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে আটকে মারধর করা হয়েছিল। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমরা সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দিতে অনুরোধ করেছি।