


ফ্রান্স-৩ : সেনেগাল-১
নিউ জার্সি: আশঙ্কার কালো মেঘ ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছিল ফ্রান্সের আকাশে। অবশেষে ত্রাতার ভূমিকায় সেই কিলিয়ান এমবাপে। ফারাসি তারকার জোড়া লক্ষ্যভেদেই ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল দেশঁ ব্রিগেডের। অপর গোলদাতা বার্কোলা। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে অভিযান শুরু করল ফ্রান্স। হারলেও মন জিতলেন সাদিও মানেরা। তাঁদের একমাত্র গোলদাতা ইব্রাহিম।
শুরুটা দেখে অবশ্য বোঝা যায়নি এত সহজে জিতবে ফ্রান্স। কারণ, প্রেসিং ফুটবলে প্রথম থেকেই ঝাঁকুনি দেয় সেনেগাল। তাদের খেলা গ্যালারিতে বসে উপভোগ করেন ওয়েঙ্গারের মতো ফুটবল বিশেষজ্ঞরা। ডেম্বেলে ও এমবাপের বোঝাপড়ার অভাব বারবার চোখে পড়ল প্রথমার্ধে। ফলে সেনেগালের জমাট রক্ষণে থাবা বসাতে ব্যর্থ দেশঁ ব্রিগেড। উলটে আফ্রিকার দেশটি দুরন্ত টিম গেমে ভর করে বেশ কয়েকবার কাঁপিয়ে দিল ফ্রান্সের রক্ষণ। ২৫ মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসনের শট পোস্টে প্রতিহত না হলে লিড নিতে পারত সেনেগাল।
বিরতির পর খোলস ছেড়ে বের হয় ফ্রান্স। ডেম্বেলে ডান প্রান্তে সরে এসে মিশেল ওলিসে মাঝমাঠ থেকে খেলা পরিচালনার ভার নেন। পাশাপাশি অনেকটা উপরে উঠে এসে আক্রমণে যোগ দেন কৌন্দে। তাতেই চিড় ধরে সেনেগাল রক্ষণে। ৬৩ মিনিটে এমবাপের প্লেসমেন্ট রুখে দেন সেনেগাল গোলরক্ষক এডুয়াড মেন্ডি। তবে ৬৭ মিনিটে তারকা ফরাসি স্ট্রাইকারকে আর রুখতে পারেননি তিনি। ওলিসের ডিফেন্স চেরা পাস টার্নিংয়ে জালে জড়ান এমবাপে (১-০)। তার আগেই ফ্রান্সের পেনাল্টির আবেদন ভারের সাহায্যে বাতিল করেন রেফারি। ৬৮ মিনিটে নিকোলাসের গোল অফসাইডে বাতিল হয়। এরপর গোল করেন সুপারসাব বার্কোলা (২-০)। তারপর ইব্রাহিম ব্যবধান কমান (২-১)। বিপক্ষের কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন এমবাপে (৩-১)।