


জেরুজালেম, ২২ মার্চ: পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আগুন নিভছে না, বরং দিন দিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। নতুন করে সেই উত্তেজনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ইজরায়েলের ডিমোনা শহর। শনিবার ইজরায়েলের ডিমোনার শিমন পেরেস নেগেভ পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান। তবে অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় সেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি। পরমাণু কেন্দ্রের বদলে সেগুলি গিয়ে আছড়ে পড়ে জনবসতিপূর্ণ এলাকায়। এতে এখনও পর্যন্ত ১০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, ডিমোনা এবং আরাদ দুই জায়গাতেই ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইন্টারসেপ্টর উৎক্ষেপণ করেছিল। তবুও সব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা যায়নি। আরও জানাযায়, আরাদে ৮৪ জন আহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ডিমোনায় আহতের সংখ্যা ৩৩। অন্য সূত্রে দাবি, মোট আহতের সংখ্যা শতাধিক ছুঁয়েছে। তবে বহু মানুষ আগে থেকেই শেল্টারে আশ্রয় নেওয়ায় প্রাণহানি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, নাতানজে হামলার প্রত্যাঘাত হিসেবেই, এই হামলা চালিয়েছে ইরান।
ইজরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফিল ডেফরিন জানিয়েছেন, 'এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কাজ করলেও এই মিসাইল প্রতিহত করতে পারেনি। কেন এই ব্যর্থতা তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ইডিএফ।' এই হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরান। এবং কূটনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন এটি আসলে নাতানজে হামলার প্রত্যাঘাত।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুনে ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধের সময় ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছিল নাতানজের পারমাণবিক কেন্দ্র। ইজরায়েলি বিমান হামলার পাশাপাশি আমেরিকার আক্রমণেও ক্ষতিগ্রস্ত হয় ওই পারমানবিক কেন্দ্রটি।