


নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে সংঘাত। যুযুধান পক্ষগুলির মধ্যে সমঝোতা ঘিরে অনিশ্চয়তার মেঘ। ফের হামলা-পালটা হামলা শুরু হওয়ায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজে চলাচল ঘিরে উদ্বেগ দানা বেঁধেছে। জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কায় সোমবার বিশ্ববাজারে অশোধিত তেলের দর চড়ল ৪ শতাংশের বেশি। জ্বালানির জোগানে এই সংকটের আবহে ভারতে ইতিমধ্যেই ঊর্ধ্বমুখী রান্নার গ্যাস, পেট্রল ও ডিজেলের দাম। এই পরিস্থিতিতেও কেন্দ্রীয় পেট্রলিয়ামমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী আশাবাদী, জ্বালানির দাম কমবে! তেলের দাম দীর্ঘদিন এত বেশি চড়া থাকবে বলে তিনি মনে করছে না। একইসঙ্গে তাঁর আশ্বাস, জ্বালানির জোগান নিয়ে দেশে এখনই কোনও সমস্যা নেই। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে চলতি সংকট মোকাবিলায় ভারত প্রস্তত। দেশে ৭৬ থেকে ৮০ দিন ব্যবহারের মতো জ্বালানি মজুত রয়েছে। দেশের কোথাও জ্বালানির জোগানে কোনও সংকট নেই। এখন রপ্তানিও হচ্ছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলেও ৩০ থেকে ৬০ দিনের ব্যাকআপ বা বাফার দিতে পারবে কৌশলগত পেট্রলিয়াম ভাণ্ডার, শোধনাগারগুলিতে মজুত ও বাণিজ্যিক স্টক।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরে থেকে জ্বালানি আমদানির উৎসের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। ওই সব জায়গা থেকে সরবরাহ ইতিমধ্যেই শুরুও হয়ে গিয়েছে। মোজাম্বিক থেকে অতিরিক্ত গ্যাসের জোগান জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করবে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তাদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেছেন। ভারতীয় সংস্থাগুলি ভেনেজুয়েলায় নিজেদের উপস্থিতি বাড়াতে যে আগ্রহী, সেই বিষয়টিও তুলে ধরেছেন পুরী।