


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সোনারপুর দক্ষিণে এখনও এমএলএ কার্যালয় তৈরি হয়নি। ফলে এলাকার অনেক বাসিন্দা বিভিন্ন পরিষেবা পেতে সমস্যায় পড়ছেন। দিশাহারা অবস্থা দলীয় কর্মীদেরও। তাঁরাও সঠিকভাবে সাধারণ মানুষকে পথ দেখাতে পারছেন না। ফলে কবে এই কেন্দ্রের বিধায়ক কার্যালয় হবে, সেটাই এখন বড়ো প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকার মানুষও দ্রুত এই এমএলএ অফিস তৈরির দাবি তুলেছেন।
দলীয় কর্মীরা বলেন, অনেক মানুষ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের ব্যাপারে জানতে আসছেন। কেউ অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাচ্ছেন না বলে আমাদের কাছে আসছেন। কেউ এলাকার রাস্তাঘাটের সমস্যা বিধায়ককে জানাবেন বলে ঘুরছেন। এমনকী বিভিন্ন সার্টিফিকেটের জন্যও ঘুরপাক খেতে হচ্ছে অনেককেই। স্থানীয় মণ্ডল সভাপতিকে কেউ সেটা জানালে তিনি বিধায়ককে বলে শংসাপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন। এতে সময় লাগছে। রাজপুরের কাকলি ঘোষ বলেন, আমাদের এখানে পানীয় জলের সমস্যা। পুরসভায় জানিয়েও লাভ হচ্ছে না। তাই বিধায়ককে জানানোর জন্য উপায় খুঁজছি। কিন্তু ওঁর কোনো অফিস নেই এখানে। কীভাবে জানাব জানি না। আবার সুভাষগ্রামের নন্দিতা মণ্ডলের বক্তব্য, জমা জলের সমস্যার কথা এমএলএ ম্যাডামকে বলতে চাই। কিন্তু কোথায় গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করব, সেটাই বুঝতে পারছি না।
এরকম বহু মানুষেরই নানা অভাব-অভিযোগ রয়েছে। সোনারপুর উত্তরের বিধায়ক দেবাশিস ধর কার্যালয় খুলে পরিষেবা দিচ্ছেন। কিন্তু সোনারপুর দক্ষিণের মানুষ এক্ষেত্রে বঞ্চিত হচ্ছেন। সোমবার নিজের কেন্দ্রে একটি মা আহার কেন্দ্রের উদ্বোধন করতে এসেছিলেন বিজেপি বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর কাছে এই নিয়ে জানতে চান অনেকেই। বিধায়ক বলেন, আমার কার্যালয় বানানো হয়নি। কারণ আমার টাকা তোলার অভ্যাস নেই। আমি কয়েক মাসের মাইনে পাই। তারপর দেখব বাড়ি ভাড়া করতে পারি কি না। তারপর একটা কার্যালয় খুলব। তবে তাঁর পরিষেবা চালু আছে বলে দাবি বিধায়কের। তাঁর বক্তব্য, অনেক রোগীকে ভর্তি করতে সাহায্য করেছি।