


নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: বাড়বে চায়ের গুণগত মান, আকর্ষণ বাড়বে পর্যটনে। সহজে রাজ্যের মানুষের কাছে পৌঁছবে মালদহের আম। আশাবাদী চাষিরা। এসব কথা মাথায় রেখে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের কাছে একাধিক দাবি পেশ করলেন তাঁরা।
উত্তরবঙ্গের চা চাষিদের কৃষির স্বীকৃতি থেকে উন্নয়ন বোর্ড গঠন গঠন। মালদহে আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, আধুনিক প্যাক হাউস ও উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্পের পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। বাজেট অধিবেশনের একসপ্তাহ আগে বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের কাছে দাবি জানিয়েছেন ক্ষুদ্র চা চাষিরা। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, এদিনের বৈঠকে চা, আম ও পর্যটন শিল্প নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি নিয়ে ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন সংস্থার বক্তব্য শুনেছি। কিছু সমস্যা আছে। সমস্যাগুলি রাজ্যে মেটানো সম্ভব নয়, সেগুলি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্তরে আলোচনা করা হবে।
এদিন মিনি সচিবালয় উত্তরকন্যায় অর্থমন্ত্রীর বৈঠকে চা চাষ নিয়ে বেশকিছু দাবি পেশ করা হয়। বৈঠকের পর উত্তরবঙ্গ কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান স্মল টি গ্রোয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিজয়গোপাল চক্রবর্তী বলেন, ক্ষুদ্র চা চাষিদের কৃষির স্বীকৃতি দিতে হবে। কৃষকদের জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় আনতে হবে। তাঁদের দিতে হবে কিষান ক্রেডিট কার্ড। রাজ্য বাজেটে বিষয়গুলি ঘোষণা করার জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে দাবিগুলি জানিয়েছি। সেই সঙ্গে উত্তরবঙ্গে চা উন্নয়ন বোর্ড গঠনের প্রস্তাবও পেশ করেছি। সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব ও দাবিগুলি বাস্তবায়িত হলে চা চাষি ও ব্যবসায়ীরা ব্যাপক উপকৃত হবেন।
এদিকে, ‘গৌড়ভূমি’ মালদহের আম জগৎ বিখ্যাত। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে দাবি করা হলেও তৈরি হয়নি প্রক্রিয়াকরণ শিল্প। ফলে ফি বছর মার খাচ্ছেন আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা। মালদহ মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি উজ্জ্বল সাহা বলেন, জেলায় আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, প্যাকেজিং ইউনিট গড়া এবং এমএসএমই পলিসিতে জেলাকে ‘ডি’ জোনের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব মন্ত্রীর কাছে জানিয়েছি। এবার বাজেটে সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলি প্রতিফলিত হবে বলেই আশা করছি।