


২৮ মার্চ আইপিএলের ঢাকে কাঠি পড়বে। ফাইনাল ৩১ মে। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিকেট লিগে অভিযান শুরুর আগে কোন দল কতটা শক্তিশালী, তা খোঁজার চেষ্টা করল ‘বর্তমান’
আইপিএল ইতিহাসের অন্যতম সফল দল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। পাঁচবার খেতাব জিতেছে বাণিজ্য নগরীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। আর সবক’টি সাফল্যই এসেছে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে। তবে গত দু’বছর ধরে মুম্বইয়ের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর নেতৃত্বে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স মেলে ধরতে পারেনি দল। হিটম্যানকে সরিয়ে তাঁর হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া নিয়ে একটা সময় টিমের মধ্যেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এখন অবশ্য পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক। প্রাক-মরশুম প্রস্তুতি কিংবা প্রোমোশনাল অনুষ্ঠানগুলিতে ফুরফুরে মেজাজে দেখা যাচ্ছে রোহিত, হার্দিককে। শিবিরে শান্তির বার্তা। আর এই সংঘবদ্ধতাকে শক্তি করেই ষষ্ঠ খেতাব জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপাতে তৈরি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।
শক্তি
হার্দিক-ব্রিগেডের মূল শক্তি ব্যাটিং। রোহিত শর্মা, কুইন্টন ডি’কক, রায়ান রিকেলটন, সূর্যকুমার যাদব, তিলক ভার্মা, উইল জ্যাকস বা হার্দিক পান্ডিয়া— প্রত্যেকেই ম্যাচ উইনার। সেই সঙ্গে পেস বোলিংও ভয়ঙ্কর। বিপক্ষের ঘুম ওড়ানোর জন্য যশপ্রীত বুমরাহ একাই যথেষ্ট। তার উপর সঙ্গতে রয়েছেন ট্রেন্ট বোল্ট, দীপক চাহারের মতো অভিজ্ঞরা। আবার শার্দূল ঠাকুর, হার্দিক পান্ডিয়া, মিচেল স্যান্টনার বা করবিন বসের মতো অলরাউন্ডারও দলের বড় সম্পদ। পাশাপাশি রোহিত ও সূর্যকুমারের মতো দক্ষ লিডারের উপস্থিতি সমৃদ্ধ করবে ক্যাপ্টেন হার্দিককে।
দুর্বলতা
স্পিন বিভাগে গভীরতা কম। উইল জ্যাকস, আল্লা গজনফার, মিচেল স্যান্টনাররা ভারতের উইকেটে কতটা কার্যকরী হবেন, সংশয় থাকছেই। তাছাড়া স্যান্টনারের সাম্প্রতিক ফর্মও ভালো নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচে মাত্র ২টি উইকেট পেয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের ক্যাপ্টেন। তাছাড়া বুমরাহর ফিটনেস নিয়েও চিন্তা রয়েছে। ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে তাঁর ওয়ার্কলোড ম্যানেজ খুবই জরুরি। তাই সব ম্যাচে তাঁকে না’ও খেলানো হতে পারে।
সম্ভাবনা
খেতাবের অন্যতম দাবিদার।
সেরা পারফরম্যান্স
মোট পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন (২০১৩, ২০১৫, ২০১৭, ২০১৯, ২০২০)।
নজরে যাঁরা
রোহিত শর্মা, সূর্যকুমার যাদব, তিলক ভার্মা,
কুইন্টন ডি’কক, হার্দিক পান্ডিয়া, যশপ্রীত বুমরাহ, ট্রেন্ট বোল্ট।