


নয়াদিল্লি: মরশুমের শুরুটা ভালো করেও শেষটা সুখকর হয়নি। প্রত্যাশা থেকে অনেক দূরেই থেমেছে তাঁর জ্যাভেলিন। সবচেয়ে বড় ধাক্কা টোকিও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে। ওলিম্পিকসে পর পর সোনা ও রুপোজয়ীকে অষ্টম স্থানে শেষ করতে দেখে ঘোর আতঙ্কিত অনুরাগীরা। তাহলে কি সেরা সময় পেরিয়ে এসেছেন নীরজ চোপড়া? উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে ২৭ বছর বয়সি তারকার ফিটনেসের ঘাটতি। শরীরের ওজন বৃদ্ধিও নজর এড়ানোর নয়। জ্যাভেলিনের বিশ্বরেকর্ডধারী জান জেলেজনিকে কোচ হিসেবে নিয়োগ করে কী লাভই বা হল! প্রশ্ন আসমুদ্রহিমাচলের।
পারফরম্যান্স গ্রাফের পতনে স্বয়ং নীরজও বেশ হতাশ। তবে হাল ছাড়ার পাত্র নন পানিপথের যোদ্ধা। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন মরশুমে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া তিনি। আপাতত সুইজারল্যান্ড ভ্রমণে মগ্ন ভারতীয় তারকা। তারই ফাঁকে নীরজ জানিয়েছেন, ভূস্বর্গের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাঁকে দ্রুত তরতাজা হয়ে উঠতে সাহায্য করবে। উল্লেখ্য, রজার ফেডেরারের দেশে বেশকিছু স্মরণীয় সাফল্য রয়েছে তাঁর। সেই সুইস মুলুকে দাঁড়িয়েই নীরজ ঘোষণা করলেন ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা। এক সাক্ষাৎকারে তাঁর মন্তব্য, ‘গত মরশুমটা আমার কাছে সত্যিই খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল। বলতে পারেন, ভালো-মন্দয় মেশানো। তারই মধ্যে গর্ব করার মতো অনেক কিছু পেয়েছি। আবার ভুল থেকে শেখার জন্যও প্রচুর বিষয় রয়েছে। প্রতিটি প্রতিযোগিতা আমার অভিজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।’
ওলিম্পিকসে জোড়া পদক জয়ে পথ দেখানো বার্তেমিউর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর জান জেলেজনিকে কোচ হিসেবে নিয়োগ করেছেন নীরজ। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকেরই ভালো থেকে আরও ভালো হওয়ার অবকাশ থাকে। আর সেটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি উজ্জীবিত করে কঠোর পরিশ্রম করে যেতে। স্যারের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত কিছু না কিছু শিখছি। তাঁর নতুন টেকনিক ও কর্মপদ্ধতির সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে কখনও কখনও তাল কাটছে। তবে চিন্তিত নই। নতুন মরশুমে আরও ধারালো হয়ে ফেরার ব্যাপারে পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে।’