


নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সহ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এবং অনেকের উপস্থিতির হার কম। মঙ্গলবার বিধানসভার স্বাস্থ্য বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও অ্যাকাডেমিক ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন। এরপরই এনিয়ে সর্বসমক্ষে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি নির্মল মাজি।
তিনি বলেন, চিকিৎসকদের একাংশ আসি যাই, মাইনে পাই নীতিতে চলছেন। হাসপাতালে কাজ ঠিকঠাক না করে কলকাতায় বসে প্র্যাকটিস করছেন। রোগীর পরিজন, সাধারণ মানুষ তাঁদের দেখছেন। অধ্যক্ষ আমার কাছে স্বীকার করেছেন আগে তিনি তিনদিন আসতেন, এখন পাঁচদিন আসছেন। কিন্তু সপ্তাহে ছ’দিন ডিউটি করাটা সরকারি নিয়ম। নন প্র্যাক্টিশনার ভাতা নিয়েও অনেকে বাইরে প্রাকটিস করছেন। এটা জেনেও মানবিক কারণে সরকার কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আগের সরকারের আমলে দেখেছি উপস্থিত না থাকলে হাজিরা খাতায় লাল দাগ দিয়ে দেওয়া হতো। কিন্তু মানবিক সরকার এতটা কড়াকড়ি করছে না।
নির্মলবাবু আরও বলেন, আগেও রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসেছি। কিন্তু এখন মেডিক্যাল কলেজ পরিচালনা আগের থেকে অনেক বেশি ভালো। ক্যান্টিনে রোগীদের খাবার পর্যাপ্ত থাকছে। ওষুধও মোটামুটি ঠিক আছে। সাপে কামড়ানোর প্রচুর রোগী এখানে আসছেন। অ্যান্টিভেনম, অ্যান্টিবায়োটিক, জীবনদায়ী ওষুধ পর্যাপ্ত রয়েছে। সিটি স্ক্যান ভালোভাবে চলছে।
এদিন পরিদর্শনের শেষে স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মীনা, রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী সহ স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এদিন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ছাড়াও স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। ওই হাসপাতাল ঘুরে দেখার পাশাপাশি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেছেন।