


মুম্বই: দীর্ঘদিনের বৈরতা ভুলে মারাঠি অস্মিতাকে হাতিয়ার করে কাছাকাছি এসেছেন দুই থ্যাকারে ভাই। উদ্ধব ও রাজ। তারপর এই প্রথম জোট গড়ে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছিল শিবসেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী) ও মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস)। কিন্তু, শুরুতেই মুথ থুবড়ে পড়ল ‘ব্র্যান্ড থ্যাকারে’। মুম্বইয়ে বিইএসটি এমপ্লয়ি কোঅপারেটিভ ক্রেডিট সোসাইটির ভোটে ধাক্কা খেতে হয়েছে উদ্ধব ও রাজ শিবিরকে । অত্যন্ত ছোট পরিসরে হলেও এই নির্বাচনকেই থ্যাকারে ভাইদের অ্যাসিড টেস্ট হিসেবে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু ২১টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই পরাজিত হয়েছেন তাদের প্রার্থীরা।
অন্যদিকে, বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীরা জিতেছেন ১৪টি আসনে। ফলাফল প্রকাশের পরই উদ্ধব ও রাজকে খোঁচা দিয়েছে গেরুয়া শিবির। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশের কটাক্ষ, ক্রেডিট সোসাইটির নির্বাচনকেও রাজনৈতিক লড়াইয়ে পরিণত করেছিল উদ্ধব গোষ্ঠী ও এমএনএস। থ্যাকারে ব্র্যান্ডকে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু, সেই ব্র্যান্ড শূন্যে নেমে এসেছে। দুই নেতাকে তাঁদের প্রকৃত জায়গা দেখিয়ে দিলাম।
যদিও এই হারকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন না উদ্ধবগোষ্ঠীর নেতা সঞ্জয় রাউত। তাঁর পাল্টা, থ্যাকারে ব্র্যান্ড কখনও ফেল করতে পারে না। ক্রেডিট সোসাইটির ভোট চূড়ান্ত পরীক্ষা নয়। আমরা একে ইউনিট টেস্ট হিসেবেও দেখছি না। এদিকে, হারের পরই ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনে জিততে বিপুল টাকা ছড়ানো হয়েছে।