


সংবাদদাতা, বহরমপুর: ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতিতে বেলডাঙায় হতে চলেছে মহা সমাবেশ। সেই সমাবেশে তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব হাজির থাকার কথা রয়েছে। তার আগে বেলডাঙা পুর এলাকায় জোরকদমে ২১জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা চলছে। শহরের ১৪টি ওয়ার্ড দেওয়াল লিখন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ছবি দেওয়া ফ্লেক্স, ব্যানার, ফেস্টুন ও তৃণমূলের পতাকায় শহর ছেয়ে গিয়েছে। জাতীয় সড়ক ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ‘ধর্মতলা চলো’ ডাক দিয়ে বেশ কয়েকটি তোরণ করা হচ্ছে।
বেলডাঙার বিধায়ক হাসানুরজামান শেখ বলেন, বিধানসভা ভোটের আগে এটাই শেষ ২১জুলাইয়ের শহিদ স্মরণ সভা। সেদিন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের মুখ্য সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দেন-তার অপেক্ষায় রয়েছেন বেলডাঙার মানুষ। সভায় বেশি সংখ্যক লোক নিয়ে যাওয়া আমাদের কাছেও চ্যালেঞ্জ।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ২১জুলাইয়ের সমাবেশ থেকেই তৃণমূলের প্রচারে ঢাকে কাঠি পড়বে। সেই জন্য এবারের ২১জুলাইয়ের সমাবেশ তৃণমূল কর্মীদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বেলডাঙা পুরসভার চেয়ারপার্সন অনুরাধা হাজরা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপির ধর্মীয় মেরুকরণের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে লড়ে চতুর্থবারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসানোই আমাদের লক্ষ্য। তার জন্য এবার ২১জুলাইয়ের সমাবেশ আমাদের কাছে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তার আগে বেলডাঙায় রাজ্য নেতৃত্বকে এনে মহা সমাবেশ করা হবে। এখন রাতদিন এক করে তার প্রস্তুতি চলছে। বেলডাঙা তৃণমূলের দখলেই থাকবে।
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলডাঙার ১৪টি ওয়ার্ডে ইতিমধ্যে একাধিক ছোট ছোট প্রস্তুতি সভা হয়েছে। বেলডাঙার বিধায়ক ও পুরসভার চেয়ারম্যান সহ ব্লক নেতৃত্ব সেই সভায় বক্তৃতা দিয়েছেন। বুথস্তরের কর্মীদের দেওয়াল লিখন, ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানোর কাজে নামানো হয়েছে। প্রচারে পিছিয়ে নেই তৃণমূলের মহিলা ব্রিগেডও। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁরা ধর্মতলার সমাবেশে যোগ দেওয়ার ডাক দিচ্ছেন। তৃণমূলের দাবি, বেলডাঙায় প্রচারে ব্যাপক সাড়া মিলছে।