


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কসবা এলাকাকে অশান্ত করে রেখেছিলেন ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুশান্ত ঘোষ। এই এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্রের রমরমা তাঁর জন্যই। সুশান্ত ঘোষের মামলায় শুনানিতে এমনই দাবি করলেন সরকারি আইনজীবী। একইসঙ্গে সরকারি জমি দখল করে কীভাবে হকারদের কাছ থেকে টাকা তুলেছিলেন, সেই বিষয়টি তুলে ধরা হয়। পুরী থেকে গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার সুশান্তকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়। সওয়াল শেষে তাঁকে ২৮ জুন পর্যন্ত পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সুশান্তবাবুর বিরুদ্ধে কেএমডিএ’র জমি দখল করে হকারদের দোকান তৈরি করে দেওয়ার নামে কোটি টাকা তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। বুধবার পুরী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে লালবাজার। বৃহস্পতিবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী সৌরীন ঘোষাল বলেন, অন্তত ৯৫০ জনের কাছে টাকা তোলা হয়েছে। কেএমডিএর জমি দখল করে দোকান দেওয়ার নাম করে টাকা তোলা হয়েছে। সুশান্তবাবু তোলাবাজি করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়েছেন। সরকারি আইনজীবী আরও বলেন, ‘কসবায় কিছুদিন আগে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। সুশান্তবাবুর উপর হামলা হয়। কসবায় আগ্নেয়াস্ত্রের রমরমা তাঁর জন্য। তিনি কিছু না করলে পুরী পালিয়ে গিয়েছিলেন কেন? তীর্থ ক্ষেত্রে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে শ্রী ঘরে গিয়েছেন। গুলশন কলোনি তিনি বানিয়েছেন।’ অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবীরা বলেন, ‘যে কোনো শর্তে জামিন দেওয়া হোক। তিনি সরকারি জমি দখল করে টাকা তুলেছেন এরকম নথি কি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে?’ সওয়াল শেষে তাঁকে পুলিশি হেপাজতে পাঠায় আদালত।