


পূর্বাশা দাস: কেমন আছেন?
খুব ভালো আছি।
আপনার ভালো থাকার পাসওয়ার্ড কী?
সেটা তো বলা যাবে না (হাসি)।
‘গৃহপ্রবেশ’-এর ‘তিতলি’ কি শুভশ্রীর মতোই প্রাণবন্ত?
তিতলি আমার বিপরীত। আমি ভীষণ স্বাধীনচেতা। তিতলি তেমন নয়। এই ২০২৫ সালেও আমাদের সমাজে বেশ কিছু মেয়ে মনে করেন, তাঁরা যে বাড়িতে জন্মেছেন, সেটা বাপের বাড়ি। বিয়ের পর যে বাড়িতে যাচ্ছেন, সেটা তাঁদের নিজের বাড়ি। তিতলিরও তেমনটাই বিশ্বাস। মানসিক, আর্থিক— সব দিক থেকেই তিতলি অন্য কারও উপর নির্ভরশীল।
মাতৃত্ব, অভিনয়, সংসার সবটা ব্যালান্স করতে অসুবিধা হয় না?
আমি ছোট থেকেই ভীষণ ফোকাসড। জীবনে কখনও অনেক কিছু একসঙ্গে করতে চাইনি। আমি খুব কম জিনিসই চেয়েছি জীবনে এবং তার পিছনেই পড়ে থেকেছি। সেটা পাওয়ার পর সেই জিনিস যত্নে রেখেছি।
এই ছবিতে প্রয়াত পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ইন্দ্রদীপ। আপনি সেটা ভেবে কতটা সাবধানী ছিলেন?
এতকিছু ভাবলে চরিত্রটা ফুটিয়ে তুলতে পারতাম না। আমি আমার মতো করে চেষ্টা করি শুধু। ‘গৃহপ্রবেশ’ একটা সাধারণ ছবি নয়। শুধুমাত্র ঋতুপর্ণ ঘোষকে শ্রদ্ধা জানিয়েই দায়সারা ছবি ‘গৃহপ্রবেশ’ নয়। এই ছবির প্রতিটি জায়গায় ঋতুদার ছোঁয়া আছে।
ঋতুপর্ণ ঘোষের সঙ্গে কাজ না করার আক্ষেপ রয়েছে?
আক্ষেপ জীবনে খুব কম করি। আমি ভাগ্যে বিশ্বাস করি। যে ইন্ডাস্ট্রিতে ঋতুপর্ণ ঘোষ ছিলেন আমি সেই ইন্ডাস্ট্রির একটা অংশ। এটা নিয়ে আমি গর্বিত।
‘গৃহপ্রবেশ’, ‘ধূমকেতু’, ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’... ২০২৫ আপনার ছকভাঙা বছর হতে চলেছে?
ছবি রিলিজের বিষয়টা নির্মাতাদের উপরই থাকে। কাকতালীয়ভাবে ছবিগুলো পরপর রিলিজ করবে। আমি বছরে একটা, দু’টো ছবি করি। তার মধ্যে হয়তো একটা মুক্তি পায়। সে দিক থেকে এই বছরটা আমার জন্য ‘বোর্ড এক্সাম’-এর মতো। প্রত্যেক মাসেই একটা করে পরীক্ষা। প্রতিটা পরীক্ষায় শুধু উত্তীর্ণ নয়, ভালো ভাবে উত্তীর্ণ হতে হবে। এটা আমার কাছে চ্যালেঞ্জ।
অনুরাগীরা আপনাকে ‘লেডি সুপারস্টার’ বলেন। এই তকমাটা কতটা এনজয় করেন?
আমি কৃতজ্ঞ। অভিনয়ের ভালো, মন্দ তো থাকবেই। তার বাইরে এগুলোই তো প্রাপ্তি। এটুকু কথা দিতে পারি, দর্শকের বিশ্বাস কখনও ভাঙব না।
ছবি: দীপেশ মুখোপাধ্যায়